১৫ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৫ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩

বেকারি কারখানায় হানা দিয়ে উদ্ধার ১০ নাবালক

নতুন গতি, উত্তর দিনাজপুর: এক বেকারি কারখানায় হানা দিয়ে ১০ নাবালক সহ ১২ জন শ্রমিককে উদ্ধার প্রশাসনের। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় রায়গঞ্জের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপদুয়ার এলাকায়। অভিযোগ, অগ্রিম টাকার বিনিময়ে উদ্ধার শ্রমিকদের বেশিরভাগকে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলা থেকে এনে কাজে লাগানো হয়েছিল ‘বন্ধকি শ্রমিক’ হিসেবে। জেলা প্রশাসনের অ্যান্টি-হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিটের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এই যৌথ অভিযানে ছিলেন জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট (ডিসিপিও), শিশু কল্যাণ কমিটি (সিডাব্লিউসি), শ্রম দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর এবং রায়গঞ্জ ও ঝাড়খণ্ডের দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরাও। মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ড ও রায়গঞ্জের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা জানতে পারেন, অগ্রিম টাকা দিয়ে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় সহ মালদা ও মুর্শিদাবাদ থেকে একাধিক নাবালকদের রায়গঞ্জে এনে কাজ করানো হচ্ছে ‘বন্ধকি শ্রমিক’ হিসেবে। জেলাশাসককে জানিয়ে তাঁর অনুমোদন নিয়ে এই অভিযানে নামে প্রশাসনিক যৌথ একটি দল রায়গঞ্জ থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে। ঘটনাস্থল থেকে নাবালকদের উদ্ধার করা হলেও মালিক পলাতক। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়ার মধ্যে একাধিক শিশুও রয়েছে এবং সকলের পরিবারের সঙ্গে যোগোযোগ করা হচ্ছে। অভিযোগ, নাবালকদের দিয়ে ময়দা বহন, যন্ত্রপাতি পরিচালনা এবং উচ্চ তাপমাত্রার ওভেনে লম্বা সময় ধরে কাজ করানো হতো পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই। এছাড়া অগ্রিম টাকা দেওয়া, চলাফেরায় নজরদারি, মোবাইল জমা রাখা এবং ন্যূনতম মজুরির তুলনায় কম পারিশ্রমিক দেওয়ার মতো নানা অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। এই প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কুলদীপ সোনাওয়ানের বক্তব্য, “উদ্ধার হওয়া নাবালক শ্রমিকদের আপাতত কর্ণজোড়ায় সূর্যোদয় হোমে রাখা হয়েছে। ওই বেকারির মালিকের খোঁজ চলছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু শ্রম প্রতিরোধ সহ একগুচ্ছ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।”

আল-আরাবিকে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর গ্রুপ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইস্ট বেঙ্গল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বেকারি কারখানায় হানা দিয়ে উদ্ধার ১০ নাবালক

আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার

নতুন গতি, উত্তর দিনাজপুর: এক বেকারি কারখানায় হানা দিয়ে ১০ নাবালক সহ ১২ জন শ্রমিককে উদ্ধার প্রশাসনের। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় রায়গঞ্জের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপদুয়ার এলাকায়। অভিযোগ, অগ্রিম টাকার বিনিময়ে উদ্ধার শ্রমিকদের বেশিরভাগকে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলা থেকে এনে কাজে লাগানো হয়েছিল ‘বন্ধকি শ্রমিক’ হিসেবে। জেলা প্রশাসনের অ্যান্টি-হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিটের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এই যৌথ অভিযানে ছিলেন জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট (ডিসিপিও), শিশু কল্যাণ কমিটি (সিডাব্লিউসি), শ্রম দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর এবং রায়গঞ্জ ও ঝাড়খণ্ডের দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরাও। মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ড ও রায়গঞ্জের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা জানতে পারেন, অগ্রিম টাকা দিয়ে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় সহ মালদা ও মুর্শিদাবাদ থেকে একাধিক নাবালকদের রায়গঞ্জে এনে কাজ করানো হচ্ছে ‘বন্ধকি শ্রমিক’ হিসেবে। জেলাশাসককে জানিয়ে তাঁর অনুমোদন নিয়ে এই অভিযানে নামে প্রশাসনিক যৌথ একটি দল রায়গঞ্জ থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে। ঘটনাস্থল থেকে নাবালকদের উদ্ধার করা হলেও মালিক পলাতক। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়ার মধ্যে একাধিক শিশুও রয়েছে এবং সকলের পরিবারের সঙ্গে যোগোযোগ করা হচ্ছে। অভিযোগ, নাবালকদের দিয়ে ময়দা বহন, যন্ত্রপাতি পরিচালনা এবং উচ্চ তাপমাত্রার ওভেনে লম্বা সময় ধরে কাজ করানো হতো পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই। এছাড়া অগ্রিম টাকা দেওয়া, চলাফেরায় নজরদারি, মোবাইল জমা রাখা এবং ন্যূনতম মজুরির তুলনায় কম পারিশ্রমিক দেওয়ার মতো নানা অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। এই প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কুলদীপ সোনাওয়ানের বক্তব্য, “উদ্ধার হওয়া নাবালক শ্রমিকদের আপাতত কর্ণজোড়ায় সূর্যোদয় হোমে রাখা হয়েছে। ওই বেকারির মালিকের খোঁজ চলছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু শ্রম প্রতিরোধ সহ একগুচ্ছ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।”