১৫ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৫ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩

গ্রাম ও লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে হাতি, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি

নতুন গতি, জলপাইগুড়ি: ডুয়ার্সের একাধিক চা বাগান কর্তৃপক্ষ নিজেদের সীমানা ঘিরতে গিয়ে কাঁটাতারের ফেন্সিং বসাচ্ছে হাতির মূল করিডোরের ওপর, যার জেরে দিকভ্রষ্ট হয়ে পড়ছে হাতির দল এবং বাধ্য হয়ে নয়া রাস্তা খুঁজতে তারা ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রাম ও লোকালয়ে, যার ফলে লাগাতার বেড়ে চলেছে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি।
এক সময়ের সমীক্ষানুসারে, ডুয়ার্সে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৭টি সক্রিয় হাতির চলাচলের করিডোর ছিল। তবে নিয়ন্ত্রণহীন উন্নয়ন ও মানুষের দখলের কারণে সেই পথগুলো ক্রমশ সংকুচিত হয়ে এসেছে। এ বিষয়ে বনকর্তা মুখ্য বন পাল। জে ভি ভাস্কর জানিয়েছেন, “সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে বনবস্তিগুলোতে হাতির হামলা আগের চেয়ে কমলেও, বনের সংলগ্ন লোকালয়গুলোতে হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আর এর মূলে রয়েছে করিডোর দখল হয়ে যাওয়া।”
ইতিমধ্যেই বন দফতর নির্দিষ্ট চা বাগানগুলিকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, দ্রুত হাতির স্বাভাবিক চলাচলের পথ খালি রাখতে হবে এবং কোনওভাবেই রুদ্ধ করা চলবে না। বনকর্তাদের সাফ বক্তব্য, “হাতির পথ বন্ধ করে দিলে তাদের চলাচলের পথ বদলে যাবে, আর তার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর এবং তা আরও জটিল করে তুলবে মানুষ-হাতি সংঘাতকে।”

আল-আরাবিকে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর গ্রুপ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইস্ট বেঙ্গল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গ্রাম ও লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে হাতি, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি

আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার
নতুন গতি, জলপাইগুড়ি: ডুয়ার্সের একাধিক চা বাগান কর্তৃপক্ষ নিজেদের সীমানা ঘিরতে গিয়ে কাঁটাতারের ফেন্সিং বসাচ্ছে হাতির মূল করিডোরের ওপর, যার জেরে দিকভ্রষ্ট হয়ে পড়ছে হাতির দল এবং বাধ্য হয়ে নয়া রাস্তা খুঁজতে তারা ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রাম ও লোকালয়ে, যার ফলে লাগাতার বেড়ে চলেছে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি।
এক সময়ের সমীক্ষানুসারে, ডুয়ার্সে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৭টি সক্রিয় হাতির চলাচলের করিডোর ছিল। তবে নিয়ন্ত্রণহীন উন্নয়ন ও মানুষের দখলের কারণে সেই পথগুলো ক্রমশ সংকুচিত হয়ে এসেছে। এ বিষয়ে বনকর্তা মুখ্য বন পাল। জে ভি ভাস্কর জানিয়েছেন, “সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে বনবস্তিগুলোতে হাতির হামলা আগের চেয়ে কমলেও, বনের সংলগ্ন লোকালয়গুলোতে হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আর এর মূলে রয়েছে করিডোর দখল হয়ে যাওয়া।”
ইতিমধ্যেই বন দফতর নির্দিষ্ট চা বাগানগুলিকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, দ্রুত হাতির স্বাভাবিক চলাচলের পথ খালি রাখতে হবে এবং কোনওভাবেই রুদ্ধ করা চলবে না। বনকর্তাদের সাফ বক্তব্য, “হাতির পথ বন্ধ করে দিলে তাদের চলাচলের পথ বদলে যাবে, আর তার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর এবং তা আরও জটিল করে তুলবে মানুষ-হাতি সংঘাতকে।”