০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিজিটাল যুগেও শোলার জাদু! পুজোর আগে কেশপুরে ব্যস্ত হালদার পরিবার

কেশপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: ডিজিটাল যুগে রঙিন আলো ও আধুনিক সাজসজ্জার দাপট বাড়লেও শোলার তৈরি ডাকের গহনার কদর এখনও অমলিন। দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের অকুলসাড়া গ্রামের কুমোরপাড়ার হালদার পরিবারে এখন চরম ব্যস্ততা। প্রায় ৫০-৬০ বছর ধরে গ্রামের দুই হালদার পরিবার বংশপরম্পরায় শোলার শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন। এটাই তাঁদের প্রধান জীবিকা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শোলা কেটে তৈরি হচ্ছে চাঁদমালা, ফুলঘর, হরিমঞ্চ, মালা এবং ডাকের নানা ধরনের গহনা। মাঠ থেকে শোলা সংগ্রহের পাশাপাশি প্রয়োজনে বাইরে থেকেও তা কিনে আনেন শিল্পীরা। এরপর পরিবারের সদস্যরা মিলে ধৈর্য ও নিপুণ হাতে তৈরি করেন প্রতিমার সাজসজ্জার সামগ্রী।

মনসাপুজো থেকে দুর্গাপুজো, কালীপুজো—বছরভর বিভিন্ন উৎসবে অকুলসাড়ার এই শোলার সামগ্রী পাড়ি দেয় জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় অর্ডারও বেড়েছে। ফলে ব্যস্ততা যেমন বেড়েছে, তেমনই লাভের আশাও দেখছেন হালদার পরিবারের শিল্পীরা। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখাই এখন তাঁদের বড় লক্ষ্য।

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডিজিটাল যুগেও শোলার জাদু! পুজোর আগে কেশপুরে ব্যস্ত হালদার পরিবার

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

কেশপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: ডিজিটাল যুগে রঙিন আলো ও আধুনিক সাজসজ্জার দাপট বাড়লেও শোলার তৈরি ডাকের গহনার কদর এখনও অমলিন। দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের অকুলসাড়া গ্রামের কুমোরপাড়ার হালদার পরিবারে এখন চরম ব্যস্ততা। প্রায় ৫০-৬০ বছর ধরে গ্রামের দুই হালদার পরিবার বংশপরম্পরায় শোলার শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন। এটাই তাঁদের প্রধান জীবিকা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শোলা কেটে তৈরি হচ্ছে চাঁদমালা, ফুলঘর, হরিমঞ্চ, মালা এবং ডাকের নানা ধরনের গহনা। মাঠ থেকে শোলা সংগ্রহের পাশাপাশি প্রয়োজনে বাইরে থেকেও তা কিনে আনেন শিল্পীরা। এরপর পরিবারের সদস্যরা মিলে ধৈর্য ও নিপুণ হাতে তৈরি করেন প্রতিমার সাজসজ্জার সামগ্রী।

মনসাপুজো থেকে দুর্গাপুজো, কালীপুজো—বছরভর বিভিন্ন উৎসবে অকুলসাড়ার এই শোলার সামগ্রী পাড়ি দেয় জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় অর্ডারও বেড়েছে। ফলে ব্যস্ততা যেমন বেড়েছে, তেমনই লাভের আশাও দেখছেন হালদার পরিবারের শিল্পীরা। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখাই এখন তাঁদের বড় লক্ষ্য।