২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চুঁচুড়ায় নিকাশি প্রকল্পে আতঙ্ক, দূষিত পানীয় জলে মহামারির আশঙ্কা

নতুন গতি, হুগলি: হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ রোডে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূগর্ভস্থ নিকাশি প্রকল্প ঘিরে উঠল গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজের জেরে পানীয় জলে দূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে জলবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
পিপুলপাতি মোড় থেকে বকুলতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন অংশে কেএমডিএ-র গ্যাফ সেক্টরের অধীনে চলছে ভূগর্ভস্থ নিকাশি নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ। কাজের জন্য রাস্তার একাধিক জায়গা খোঁড়া হয়েছে। কোথাও জল জমে রয়েছে, কোথাও তৈরি হয়েছে বড় গর্ত ও অসমান রাস্তা। ফলে পথচারী, সাইকেল, মোটরবাইক, টোটো ও অটোচালকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে বয়স্ক ও মহিলাদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে রাস্তার দুরবস্থার থেকেও পানীয় জল নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে পুরসভার সরবরাহ করা জলের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিকাশি কাজের সঙ্গে পানীয় জলের লাইনের কোনওভাবে সংযোগ বা দূষণ ঘটেছে কি না, তা দ্রুত পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরে আবেদন জানানো হয়। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর দফতরের সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি শিলাদিত্য চক্রবর্তী কেএমডিএ-র মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিককে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট-ও চাওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা, অভিযোগের তদন্ত এবং দ্রুত কাজ শেষ করে রাস্তার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চুঁচুড়ায় নিকাশি প্রকল্পে আতঙ্ক, দূষিত পানীয় জলে মহামারির আশঙ্কা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
নতুন গতি, হুগলি: হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ রোডে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূগর্ভস্থ নিকাশি প্রকল্প ঘিরে উঠল গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজের জেরে পানীয় জলে দূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে জলবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
পিপুলপাতি মোড় থেকে বকুলতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন অংশে কেএমডিএ-র গ্যাফ সেক্টরের অধীনে চলছে ভূগর্ভস্থ নিকাশি নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ। কাজের জন্য রাস্তার একাধিক জায়গা খোঁড়া হয়েছে। কোথাও জল জমে রয়েছে, কোথাও তৈরি হয়েছে বড় গর্ত ও অসমান রাস্তা। ফলে পথচারী, সাইকেল, মোটরবাইক, টোটো ও অটোচালকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে বয়স্ক ও মহিলাদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে রাস্তার দুরবস্থার থেকেও পানীয় জল নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে পুরসভার সরবরাহ করা জলের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিকাশি কাজের সঙ্গে পানীয় জলের লাইনের কোনওভাবে সংযোগ বা দূষণ ঘটেছে কি না, তা দ্রুত পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরে আবেদন জানানো হয়। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর দফতরের সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি শিলাদিত্য চক্রবর্তী কেএমডিএ-র মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিককে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট-ও চাওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা, অভিযোগের তদন্ত এবং দ্রুত কাজ শেষ করে রাস্তার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।