১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

মোহবনিতে ক্ষুদিরাম আবেগ, উন্নয়নের বার্তা শুভেন্দুর—‘বোমা-গুলি নয়, চাই ভালো রাস্তা-হাসপাতাল’

পশ্চিম মেদিনীপুর: শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমি মোহবনি গ্রামে এসে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহীদের পৈতৃক ভিটেতে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান ও প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমিতে এসে শ্রদ্ধা জানালেন। আমি ধন্য যে, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে পারলাম।’’ তাঁর দাবি, মহাবনি উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হলেও এতদিন প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এবার রাজ্য সরকার মোহবনি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্ষুদিরামের পৈতৃক ভিটে সাজিয়ে তুলবে। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর নামে মিউজিয়াম, ইনডোর ও লেজার শো এবং পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা। পাশাপাশি স্কুলের পাঠ্যক্রমে ক্ষুদিরাম বসুর জীবন ও আত্মবলিদানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এলাকাটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেশপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, বোমা-গুলি, সন্ত্রাস তোলাবাজি বন্ধ করে আবাসন, আলো, উন্নত বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও ভালো রাস্তার মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে। পাশাপাশি কেশপুরের সমস্ত ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিও তোলেন তিনি।
সর্বাধিক পাঠিত

গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীর মৃত্যু, শোকের ছায়া মুকুন্দপুরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মোহবনিতে ক্ষুদিরাম আবেগ, উন্নয়নের বার্তা শুভেন্দুর—‘বোমা-গুলি নয়, চাই ভালো রাস্তা-হাসপাতাল’

আপডেট : ১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার
পশ্চিম মেদিনীপুর: শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমি মোহবনি গ্রামে এসে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহীদের পৈতৃক ভিটেতে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান ও প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমিতে এসে শ্রদ্ধা জানালেন। আমি ধন্য যে, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে পারলাম।’’ তাঁর দাবি, মহাবনি উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হলেও এতদিন প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এবার রাজ্য সরকার মোহবনি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্ষুদিরামের পৈতৃক ভিটে সাজিয়ে তুলবে। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর নামে মিউজিয়াম, ইনডোর ও লেজার শো এবং পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা। পাশাপাশি স্কুলের পাঠ্যক্রমে ক্ষুদিরাম বসুর জীবন ও আত্মবলিদানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এলাকাটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেশপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, বোমা-গুলি, সন্ত্রাস তোলাবাজি বন্ধ করে আবাসন, আলো, উন্নত বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও ভালো রাস্তার মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে। পাশাপাশি কেশপুরের সমস্ত ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিও তোলেন তিনি।