জুলফিকার আলি,মেছেদা: গ্রামোন্নয়নে কোনও খামতি রাখা হবে না। পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে—কোলাঘাটের বালাকা মঞ্চে অনুষ্ঠিত গ্রামীণ উন্নয়ন পর্যালোচনা বৈঠকে এমনই বার্তা দিলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। একই সঙ্গে বিডিও, এসডিও-সহ আধিকারিকদের আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে রাজ্য ও জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতে চলা উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি, কার্যকারিতা এবং সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত সচিব, প্রধান সচিব, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার-সহ রাজ্য ও জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা।
আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, যোগ্য নন এমন প্রায় সাড়ে ১২ হাজার উপভোক্তাকে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার জন টাকা ফেরত দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘সব দুর্নীতির হিসাব হবে।’’ পাশাপাশি প্রকৃত যোগ্য অথচ এখনও বাড়ি পাননি, তাঁদের দ্রুত আবাসের সুবিধা দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি। অভিযোগের তদন্তের পাশাপাশি বিশেষ নিরীক্ষাও চলছে।
বিভিন্ন ব্লকে পড়ে থাকা উন্নয়নের টাকা দ্রুত ও সঠিকভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শৌচালয় নির্মাণে নতুন ব্যবস্থায় কাজ শুরুর সময় ৫০ শতাংশ এবং নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে বাকি টাকা দেওয়া হবে। সরকারি প্রকল্পের কাজের গতি বাড়ানো এবং সুবিধা প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়াই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানান মন্ত্রী।
নতুন গতি 
























