০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাপস রায়কে দুর্নীতির অভিযোগে মানুষ মুখে কালী লাগিয়ে দিলো

দেবজিত মুখার্জী, দমদম: ডিম থেরাপির পরে হয়তো এবার শুরু হলো ‘মুখে কালী’ থেরাপি। যা শুরু হলো দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কে দিয়ে। তৃণমূল কাউন্সিলরের মুখে কালো কালি মাখালেন মহিলারা। রবিবার এই ছবিই দেখা গেল দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। তৃণমূল কাউন্সিলরকে কালো কালি মাখানোর পাশাপাশি তাঁর এক সঙ্গীকে মারধরও করা হয়। দমদমের বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী বললেন, ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের পার্টি অফিস থেকে বান্ডিল বান্ডিল ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গিয়েছে একটি ডায়েরিও। যেখানে কার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তা লেখা রয়েছে। দমদম পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তাপস রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে গত কয়েকদিন ধরেই সরব স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস তৈরি করেছিলেন তাপস রায়।

এদিন সেই অফিস খুলে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। অফিসের মধ্যে একটি বন্ধ আলমারি ছিল। সেটি খুলে দেখা যায়, আলমারির ভিতরে রয়েছে মৃত ব্যক্তিদের ভোটার কার্ড, বান্ডিল বান্ডিল রেশন কার্ড, খাদ্যসাথীর কার্ড, জমি বাড়ির বহু নথি। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে উত্তর দমদম পৌরসভার বহু সরকারি নথি।এরপরই উত্তেজিত জনতা তৃণমূল কাউন্সিলরের এক সঙ্গীকে মারধর করে কালি মাখায়। পরে কাউন্সিলরকে পার্টি অফিস থেকে বের করার সময় মহিলারা মুখে কালি মাখিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। দমদমের বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী বলেন, “দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা তাপস রায় আর তাঁর কিছু চ্যালাচামুন্ডা গত কয়েকদিন ধরে এই অফিস খোলার চেষ্টা করছিলেন। একাধিকবার এই খবর পেয়েছি। রাতবিরেতে এখানে আসতেন। লোক দেখলে চলে যেতেন। সরকারি জায়গা দখল করে এই পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছিল। তাই, সরকারের সম্পত্তি যাতে সরকারের কাছে থাকে, পাড়ারই সাধারণ মানুষ এখান থেকে তৃণমূলের বোর্ডটা সরিয়ে দিয়ে পৌরসভার অফিস করে দিতে চেয়েছিলেন। আমরা তাঁদের ইচ্ছাকে মান্যতা দিই। তাঁরাই এসে পৌরসভার বোর্ড লাগিয়ে দেন। তবে অফিসের দরজা খোলা হয়নি। আমরা ভেবেছিলাম, যখন সরকারি কাজ হবে, তখন কাউন্সিলরের কাছ থেকে চাবি নিয়ে অফিসের দরজা খোলা হবে। আমার মনে হয়, এই খবরটা ওরা পেয়েছিল।”

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাপস রায়কে দুর্নীতির অভিযোগে মানুষ মুখে কালী লাগিয়ে দিলো

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিত মুখার্জী, দমদম: ডিম থেরাপির পরে হয়তো এবার শুরু হলো ‘মুখে কালী’ থেরাপি। যা শুরু হলো দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কে দিয়ে। তৃণমূল কাউন্সিলরের মুখে কালো কালি মাখালেন মহিলারা। রবিবার এই ছবিই দেখা গেল দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। তৃণমূল কাউন্সিলরকে কালো কালি মাখানোর পাশাপাশি তাঁর এক সঙ্গীকে মারধরও করা হয়। দমদমের বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী বললেন, ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের পার্টি অফিস থেকে বান্ডিল বান্ডিল ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গিয়েছে একটি ডায়েরিও। যেখানে কার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তা লেখা রয়েছে। দমদম পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তাপস রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে গত কয়েকদিন ধরেই সরব স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস তৈরি করেছিলেন তাপস রায়।

এদিন সেই অফিস খুলে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। অফিসের মধ্যে একটি বন্ধ আলমারি ছিল। সেটি খুলে দেখা যায়, আলমারির ভিতরে রয়েছে মৃত ব্যক্তিদের ভোটার কার্ড, বান্ডিল বান্ডিল রেশন কার্ড, খাদ্যসাথীর কার্ড, জমি বাড়ির বহু নথি। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে উত্তর দমদম পৌরসভার বহু সরকারি নথি।এরপরই উত্তেজিত জনতা তৃণমূল কাউন্সিলরের এক সঙ্গীকে মারধর করে কালি মাখায়। পরে কাউন্সিলরকে পার্টি অফিস থেকে বের করার সময় মহিলারা মুখে কালি মাখিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। দমদমের বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী বলেন, “দমদম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা তাপস রায় আর তাঁর কিছু চ্যালাচামুন্ডা গত কয়েকদিন ধরে এই অফিস খোলার চেষ্টা করছিলেন। একাধিকবার এই খবর পেয়েছি। রাতবিরেতে এখানে আসতেন। লোক দেখলে চলে যেতেন। সরকারি জায়গা দখল করে এই পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছিল। তাই, সরকারের সম্পত্তি যাতে সরকারের কাছে থাকে, পাড়ারই সাধারণ মানুষ এখান থেকে তৃণমূলের বোর্ডটা সরিয়ে দিয়ে পৌরসভার অফিস করে দিতে চেয়েছিলেন। আমরা তাঁদের ইচ্ছাকে মান্যতা দিই। তাঁরাই এসে পৌরসভার বোর্ড লাগিয়ে দেন। তবে অফিসের দরজা খোলা হয়নি। আমরা ভেবেছিলাম, যখন সরকারি কাজ হবে, তখন কাউন্সিলরের কাছ থেকে চাবি নিয়ে অফিসের দরজা খোলা হবে। আমার মনে হয়, এই খবরটা ওরা পেয়েছিল।”