আজিজুর রহমান, গলসি : স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর গঙ্গাস্নান করে শুরু হয়েছিল যাত্রা। লক্ষ্য, কামাখ্যা মন্দিরের ফুল ও প্রসাদ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর হাতে তুলে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যে প্রায় তিন মাস ধরে পায়ে হেঁটে দিল্লির পথে এগিয়ে চলেছেন হুগলির যুব কংগ্রেস নেতা দেবাশীষ শী।
গত ৩১ মে ত্রিবেণীর সপ্তর্ষি ঘাটে গঙ্গাস্নান করে গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন দেবাশীষ। প্রায় ১২০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে কামাখ্যা মন্দিরে পৌঁছে পুজো দেন তিনি। সেখান থেকে ফুল প্রসাদ নিয়ে ফের রাজ্যের কংগ্রেস কার্যালয়ে আসেন। এরপর সেই ফুল প্রসাদ রাহুল গান্ধীর হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রায় ১৮০০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি। দীর্ঘ এই যাত্রাপথে বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন। থাকা-খাওয়া থেকে শুরু করে নানা ভাবে সহযোগিতা করছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে গলসি এলাকায় পৌঁছন দেবাশীষ। সেখানে গলসির কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান এবং তাঁর থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এরপর ফের পায়ে হেঁটে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। দেবাশীষ শী জানান, দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ফিরিয়ে আনার বার্তা নিয়েই তাঁর এই পদযাত্রা। তাঁর দাবি, দেশে সেই শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরবে, যখন রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। আগামী ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধী জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হবেন ও ২০৩১ সালে রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে বলেও দাবি করেন তিনি। কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিয়ে পাওয়া ফুল ও প্রসাদ রাহুল গান্ধীর হাতে তুলে দেওয়ার সংকল্প নিয়েই কমবেশী তিন মাসের তাঁর এই পদযাত্রা। এখন ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে দিল্লির দিকে এগিয়ে চলেছেন দেবাশীষ।
নতুন গতি 
























