সম্মেলনের ফাঁকে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও হওয়ার কথা রয়েছে। সোমবার পুতিন ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও বৈঠকের কথা রয়েছে। মঙ্গলবার এসসিওর আনুষ্ঠানিক অধিবেশনের দিন রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে এসসিওকে সরাসরি কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক জোট হিসেবে দেখা হয় না। সংগঠনটির সদস্যদের নিজেদের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তান এবং ভারত ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিরোধ রয়েছে। ফলে একই মঞ্চে উপস্থিত থাকলেও প্রতিটি দেশ নিজেদের স্বার্থ ও কৌশলগত অবস্থানকে গুরুত্ব দেয়।
ভারতের জন্য এসসিও সম্মেলন আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও নয়াদিল্লি এই প্ল্যাটফর্মকে কৌশলগত যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।
অন্যদিকে, রাশিয়া ও চীন এসসিওর পরিধি ও প্রভাব আরও বাড়ানোর পক্ষে। চীন সংগঠনটিকে আঞ্চলিক সহযোগিতার পাশাপাশি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বহুমেরুকেন্দ্রিকতার ধারণা এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরছে।
এবারের সম্মেলনে ইরান, পাকিস্তান, বেলারুশ ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর নেতারাও অংশ নিচ্ছেন। তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশ ‘সংলাপ অংশীদার’ হিসেবে এসসিওর সঙ্গে যুক্ত। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে চীন, রাশিয়া ও ইরানের টানাপোড়েনের মধ্যে বিশকেকের এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তথ্যসূত্র: এপি, আল-জাজিরা, রয়টার্স
নতুন গতি 






















