০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ইরানের সঙ্গে লেনদেন, আরও একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে লেনদেনে লাগাম টানতে চলতি সপ্তাহে আরও একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বার্তা সংস্থা এপিকে এ কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে জি-২০-এর বৈঠকের আগে এপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেন, প্রয়োজনে তাঁরা আর্থিকভাবে কঠোরতম পদক্ষেপ নেবেন। এটা (লেনদেন) অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

ইরান সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করার অভিযোগে গত সপ্তাহে মিসরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক বানকু মিসরের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, জি-২০ বৈঠকে তিনি চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। ইরানের কাছ থেকে চীনের কেনাকাটা অব্যাহত থাকায় বেইজিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে ‘সব বিকল্প খোলা আছে’ বলেও জানান তিনি।

ইরানি অর্থনীতিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সম্প্রতি বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনে এ–সংক্রান্ত ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি জানান, ইরানের তেলসহ আয়ের সব উৎস লক্ষ্য করে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করা হবে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশ ও কোম্পানি যাতে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এসব বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য।

ইরানের বিরুদ্ধে ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্রের এই বিধিনিষেধের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ বা অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার অভিযান।

ওয়াশিংটনের সংবাদ সম্মেলনে স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, ইরানের স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখে—এমন প্রতিটি অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ বিচ্ছিন্ন করাই তাঁদের লক্ষ্য। যতক্ষণ না তেহরান একা হয়ে পড়ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের পদক্ষেপ চলবে।

ওয়াশিংটনের বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। তারা বলে, ইরানের সঙ্গে অন্য দেশগুলোর সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে নেই যুক্তরাষ্ট্র।

সর্বাধিক পাঠিত

পর্বতারোহীদের মূত্র বিসর্জনে গলছে এভারেস্টের হিমবাহ: গবেষণা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইরানের সঙ্গে লেনদেন, আরও একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে লেনদেনে লাগাম টানতে চলতি সপ্তাহে আরও একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বার্তা সংস্থা এপিকে এ কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে জি-২০-এর বৈঠকের আগে এপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেন, প্রয়োজনে তাঁরা আর্থিকভাবে কঠোরতম পদক্ষেপ নেবেন। এটা (লেনদেন) অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

ইরান সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করার অভিযোগে গত সপ্তাহে মিসরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক বানকু মিসরের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, জি-২০ বৈঠকে তিনি চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। ইরানের কাছ থেকে চীনের কেনাকাটা অব্যাহত থাকায় বেইজিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে ‘সব বিকল্প খোলা আছে’ বলেও জানান তিনি।

ইরানি অর্থনীতিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সম্প্রতি বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনে এ–সংক্রান্ত ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি জানান, ইরানের তেলসহ আয়ের সব উৎস লক্ষ্য করে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করা হবে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশ ও কোম্পানি যাতে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এসব বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য।

ইরানের বিরুদ্ধে ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্রের এই বিধিনিষেধের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ বা অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার অভিযান।

ওয়াশিংটনের সংবাদ সম্মেলনে স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, ইরানের স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখে—এমন প্রতিটি অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ বিচ্ছিন্ন করাই তাঁদের লক্ষ্য। যতক্ষণ না তেহরান একা হয়ে পড়ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের পদক্ষেপ চলবে।

ওয়াশিংটনের বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। তারা বলে, ইরানের সঙ্গে অন্য দেশগুলোর সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে নেই যুক্তরাষ্ট্র।