০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়া থেকে বার্তা: ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া

স্পোর্টস ডেস্ক: অনায়া বাঙ্গার ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিড জেলার মূল নিবাসী এবং তিনি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার-এর সন্তান।
পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার পথ খুলে গেছে এই অনয়া বাঙ্গারের সামনে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে উইমেনস বিগ ব্যাশ লিগে খেলার সুযোগ দিয়েছে। এরপরই তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে (বিসিসিআই) একটি বার্তা দিয়েছেন।
অনয়া জানান, একসময় তিনি প্রায় পেশাদার ক্রিকেট খেলার স্বপ্নই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে আশপাশের মানুষের সহায়তা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে নতুন করে বিশ্বাস জোগায়।
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেছেন, বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে তার অনেক প্রত্যাশা আছে। তিনি চান, মহিলা ক্রিকেটে তার মতো খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে বোর্ড এমন নীতি তৈরি করুক, যা সবার জন্য ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ হয়। তার স্বপ্ন, একদিন তিনি ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চান।
অনয়া বলেছেন, ‘আমি শুধু আশা করি, বিসিসিআই বিষয়টি নিয়ে ভাববে এবং মহিলা ক্রীড়ার জন্য এমন নীতি তৈরি করবে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত, ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ। আমি একদিন ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চাই। আমি চাই, দেশের জন্য কিছু একটা জিততে। এটাই আমার স্বপ্ন।
তিনি আরও বলেন, ‘এই পথচলা খুব কঠিন ছিল। শুধু মানুষের কাছ থেকে নয়, পরিবারের ভেতর থেকেও আমাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। সামান্য কিছু সহায়তা আমি পেয়েছি, কিন্তু পুরো এই যাত্রায় আমি পুরোপুরি সমর্থন পেয়েছি বলে মনে হয়নি।’
জনসমক্ষে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার আগে অনয়া যুক্তরাজ্যে ক্রিকেটের ড্রেসিংরুমে থেকে দিন কাটাতেন বলে জানান। পরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় হন এবং কিছু ব্র্যান্ড চুক্তি করেন, যাতে তিনি নিজের ছেলে থেকে মেয়ে হওয়ার প্রক্রিয়ায় খরচ চালাতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘এমন একটা সময় ছিল, যখন বেঁচে থাকতে এবং নিজের খরচ চালাতে আমি যুক্তরাজ্যের ড্রেসিংরুমেই থাকতাম। প্রায় পাঁচ মাস আমি এই অবস্থায় ছিলাম। এরপর আমি নিজেকে সহায়তা করতে এবং অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাড় করতে সামাজিক মাধ্যমে আসার সিদ্ধান্ত নিই। আমি তা করেছিলাম। কিছু ব্র্যান্ড চুক্তি পাই। সেই সময় আমার প্রথম কয়েকটি অস্ত্রোপচারও সম্পন্ন হয়।’
তিনি বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, পুরো যাত্রাটা ছিল পাগলাটে। এটা ছিল একাকীত্বের, এটা ছিল কঠিন। কিন্তু এই পুরো সময়ে একাকিত্বই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। এই কারণেই আমি এখন এতটা আত্মবিশ্বাসী ও শক্তিশালী হয়েছি বলে মনে করি।’

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে হামলার অভিযোগ, AIDSO-র হুঁশিয়ারি—‘ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস বরদাস্ত নয়’

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অস্ট্রেলিয়া থেকে বার্তা: ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
স্পোর্টস ডেস্ক: অনায়া বাঙ্গার ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিড জেলার মূল নিবাসী এবং তিনি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার-এর সন্তান।
পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার পথ খুলে গেছে এই অনয়া বাঙ্গারের সামনে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে উইমেনস বিগ ব্যাশ লিগে খেলার সুযোগ দিয়েছে। এরপরই তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে (বিসিসিআই) একটি বার্তা দিয়েছেন।
অনয়া জানান, একসময় তিনি প্রায় পেশাদার ক্রিকেট খেলার স্বপ্নই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে আশপাশের মানুষের সহায়তা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে নতুন করে বিশ্বাস জোগায়।
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেছেন, বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে তার অনেক প্রত্যাশা আছে। তিনি চান, মহিলা ক্রিকেটে তার মতো খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে বোর্ড এমন নীতি তৈরি করুক, যা সবার জন্য ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ হয়। তার স্বপ্ন, একদিন তিনি ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চান।
অনয়া বলেছেন, ‘আমি শুধু আশা করি, বিসিসিআই বিষয়টি নিয়ে ভাববে এবং মহিলা ক্রীড়ার জন্য এমন নীতি তৈরি করবে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত, ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ। আমি একদিন ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চাই। আমি চাই, দেশের জন্য কিছু একটা জিততে। এটাই আমার স্বপ্ন।
তিনি আরও বলেন, ‘এই পথচলা খুব কঠিন ছিল। শুধু মানুষের কাছ থেকে নয়, পরিবারের ভেতর থেকেও আমাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। সামান্য কিছু সহায়তা আমি পেয়েছি, কিন্তু পুরো এই যাত্রায় আমি পুরোপুরি সমর্থন পেয়েছি বলে মনে হয়নি।’
জনসমক্ষে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার আগে অনয়া যুক্তরাজ্যে ক্রিকেটের ড্রেসিংরুমে থেকে দিন কাটাতেন বলে জানান। পরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় হন এবং কিছু ব্র্যান্ড চুক্তি করেন, যাতে তিনি নিজের ছেলে থেকে মেয়ে হওয়ার প্রক্রিয়ায় খরচ চালাতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘এমন একটা সময় ছিল, যখন বেঁচে থাকতে এবং নিজের খরচ চালাতে আমি যুক্তরাজ্যের ড্রেসিংরুমেই থাকতাম। প্রায় পাঁচ মাস আমি এই অবস্থায় ছিলাম। এরপর আমি নিজেকে সহায়তা করতে এবং অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাড় করতে সামাজিক মাধ্যমে আসার সিদ্ধান্ত নিই। আমি তা করেছিলাম। কিছু ব্র্যান্ড চুক্তি পাই। সেই সময় আমার প্রথম কয়েকটি অস্ত্রোপচারও সম্পন্ন হয়।’
তিনি বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, পুরো যাত্রাটা ছিল পাগলাটে। এটা ছিল একাকীত্বের, এটা ছিল কঠিন। কিন্তু এই পুরো সময়ে একাকিত্বই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। এই কারণেই আমি এখন এতটা আত্মবিশ্বাসী ও শক্তিশালী হয়েছি বলে মনে করি।’