২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ শাসন চালাচ্ছে ভোট কথা থেকে হবে? দিল্লী গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে অভিযোগ রাজ্যপালের

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার
  • 30

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক : বুধবার সন্ধের বিমানে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বিষ্যুদবার এক গোছা ফাইল হাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে গুচ্ছ নালিশ করে এলেন ধনকড়। যার মোদ্দা কথা– বাংলায় আইনশৃঙ্খলা লাটে উঠেছে। এখানে সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করার পরিবেশ নেই।

 

শাহকে তিনি কী কী বলেছেন বৈঠকের পর তা সাংবাদিক সম্মেলন করে সবিস্তারে বলেন ধনকড়। তাঁর সাফ কথা, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ দিয়ে শাসন চালাচ্ছেন। আর রাজ্যের পুলিশ শাসকদলের ক্যাডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অমিত শাহকে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। শীর্ষ স্তরের আমলারা অনুগত হয়ে কাজ করছেন। রোজ দু’বেলা রাজনৈতিক হিংসা, খুন, বোমাবাজি চলছে। রাজ্যপালের কথায়, আমি অমিত শাহকে বলেছি, বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সুষ্ঠু ভাবে ভোট হবে কী ভাবে?

 

বাংলায় ঠিক সময়ে ভোট হলেও এখনও অন্তত ছ’মাস বাকি। কিন্তু রাজ্যপাল এখনই তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এতটাই উদ্বিগ্ন যে সোজা দিল্লি চলে গিয়েছেন অমিত শাহকে জানাতে।

 

দিল্লি থেকে ফিরেই উত্তরবঙ্গে যাবেন রাজ্যপাল। টানা কয়েকদিন ধরে একাধিক জেলায় থাকার কথা তাঁর। এ ব্যাপারে রাজ্যপাল বলেন, তিনি উত্তরবঙ্গে গিয়ে, সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার ইস্যুগুলি বোঝার চেষ্টা করবেন।

 

কয়েক সপ্তাহ আগে অমিত শাহ একটি সাক্ষাত্‍কারে বলেছিলেন, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে তা হলে সংবিধান মেনেই হবে। তারপর রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের দিল্লি যাওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যদিও ৩৫৬ নিয়ে এদিন কোনও মন্তব্য করেননি রাজ্যপাল ।

 

অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যপালের সাক্ষাৎ নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বিজেপির লাউডস্পিকার। তিনি কি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, নাকি বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন?” কল্যাণ আরও বলেন, “উনি ৯৯ বার এই কাজ করেছেন। তাই এটা নিশ্চয় ১০০ তম বার হল। আরও একবার মিথ্যের ঝুড়ি নিয়ে উনি দিল্লি গেলেন। গোটা বাংলাজুড়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে উৎসব পালন হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ এই উৎসবে যোগ দিয়েছেন। উনি রাজভবনের গরিমা ক্ষুণ্ণ করছেন

মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রী, থ্যালাসেমিয়া রোগীকে রক্ত দিয়ে মানবতার নজির স্বামীর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ শাসন চালাচ্ছে ভোট কথা থেকে হবে? দিল্লী গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে অভিযোগ রাজ্যপালের

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক : বুধবার সন্ধের বিমানে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বিষ্যুদবার এক গোছা ফাইল হাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে গুচ্ছ নালিশ করে এলেন ধনকড়। যার মোদ্দা কথা– বাংলায় আইনশৃঙ্খলা লাটে উঠেছে। এখানে সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করার পরিবেশ নেই।

 

শাহকে তিনি কী কী বলেছেন বৈঠকের পর তা সাংবাদিক সম্মেলন করে সবিস্তারে বলেন ধনকড়। তাঁর সাফ কথা, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ দিয়ে শাসন চালাচ্ছেন। আর রাজ্যের পুলিশ শাসকদলের ক্যাডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অমিত শাহকে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। শীর্ষ স্তরের আমলারা অনুগত হয়ে কাজ করছেন। রোজ দু’বেলা রাজনৈতিক হিংসা, খুন, বোমাবাজি চলছে। রাজ্যপালের কথায়, আমি অমিত শাহকে বলেছি, বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সুষ্ঠু ভাবে ভোট হবে কী ভাবে?

 

বাংলায় ঠিক সময়ে ভোট হলেও এখনও অন্তত ছ’মাস বাকি। কিন্তু রাজ্যপাল এখনই তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এতটাই উদ্বিগ্ন যে সোজা দিল্লি চলে গিয়েছেন অমিত শাহকে জানাতে।

 

দিল্লি থেকে ফিরেই উত্তরবঙ্গে যাবেন রাজ্যপাল। টানা কয়েকদিন ধরে একাধিক জেলায় থাকার কথা তাঁর। এ ব্যাপারে রাজ্যপাল বলেন, তিনি উত্তরবঙ্গে গিয়ে, সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার ইস্যুগুলি বোঝার চেষ্টা করবেন।

 

কয়েক সপ্তাহ আগে অমিত শাহ একটি সাক্ষাত্‍কারে বলেছিলেন, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে তা হলে সংবিধান মেনেই হবে। তারপর রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের দিল্লি যাওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যদিও ৩৫৬ নিয়ে এদিন কোনও মন্তব্য করেননি রাজ্যপাল ।

 

অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যপালের সাক্ষাৎ নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বিজেপির লাউডস্পিকার। তিনি কি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, নাকি বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন?” কল্যাণ আরও বলেন, “উনি ৯৯ বার এই কাজ করেছেন। তাই এটা নিশ্চয় ১০০ তম বার হল। আরও একবার মিথ্যের ঝুড়ি নিয়ে উনি দিল্লি গেলেন। গোটা বাংলাজুড়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে উৎসব পালন হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ এই উৎসবে যোগ দিয়েছেন। উনি রাজভবনের গরিমা ক্ষুণ্ণ করছেন