০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টারে নরওয়ে

নিউজ ডেস্ক: একেবারে শেষ মুহূর্তে নেইমারের পেনাল্টি থেকে গোল। ব্রাজিল ২-১! ব্রাজিল একটু আশা দেখছিল? আর আধ মিনিটে কি সমতা আসবে? নরওয়ের একটু শঙ্কা জেগে ছিল! তবে সব শঙ্কা উবে গেল একটু পরই। রেফারি তিন বার ফুঁ দিলেন বাঁশিতে। নরওয়ের জয় নিশ্চিত হলো সঙ্গে সঙ্গেই। সেই সঙ্গেই গড়া হয়ে গেল ইতিহাসও। কখনো বিশ্বকাপের শেষ ষোলর চৌকাঠ পেরোতে পারেনি নরওয়ে। সেই আক্ষেপটা ঘুচে গেল তাদের। সঙ্গে একটা রেকর্ডও অক্ষত রাখা হয়ে গেল তাদের। এতদিন নরওয়ের বিপক্ষে কখনো জিততে পারেনি ব্রাজিল। আজকের হারের পর সেই রেকর্ড আরও লম্বা হলো।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই ঝলক দেখালো নরওয়ে। বল জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন বের্গা। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। এরপর ব্রাজিল পায় পেনাল্টি। মাতেউস কুনিয়াকে ফাউল করা হয় নরওয়ের বক্সে। শুরুতে রেফারি পেনাল্টি দেননি। পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি। পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারেস। কিন্তু তার শট ডান দিকে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক নাইল্যান্ড।

পেনাল্টি মিসের পরও ব্রাজিল মনোবল হারায়নি। পরপর সুযোগ তৈরি করে যাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর দৃশ্যপটে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার কোণাকুণি শটও দারুণভাবে রুখে দেন নাইল্যান্ড। প্রথমার্ধের শেষদিকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও একটি সুযোগ নষ্ট করেন। কাসেমিরোর বাড়ানো লম্বা বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি তিনি। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন এনদ্রিক। মাঠে নেমেই তিনি পেয়েছিলেন গোল করার একটি বড় সুযোগ। গোলরক্ষককে একা পেয়েও তিনি গোল করতে পারেননি। বল চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস, আর দ্বিতীয়ার্ধে এই মিস।এই দুই মিসের খেসারতই দিতে হয় সেলেসাওদের।

৮০ মিনিটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোল করেন আর্লিং হালান্ড। শেষ দশ মিনিটে আবারও গোল করেন হালান্ড। বক্সের বাইরে থেকে তার শট আলিসন বেকারের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়। এতে স্কোরলাইন হয়ে যায় ২-০!

তবে ম্যাচের শেষদিকে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। বক্সের ভেতর কাসেমিরোকে ফাউল করেন নরওয়ের খেলোয়াড় অস্টিগার্ড। এই পেনাল্টি থেকে গোল করেন নেইমার। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-১। ক্যারিয়ারের ৮০তম গোলটি করেন তিনি। তবে সেটা ব্রাজিলের জন্য যথেষ্ট ছিল না। সেলেসাওরা বিদায় নেয় এই পেনাল্টির একটু পরই। নরওয়ে চলে যায় শেষ আটে।

পটাশপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান, চালু হলো নতুন দুটি সরকারি বাস পরিষেবা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টারে নরওয়ে

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার

নিউজ ডেস্ক: একেবারে শেষ মুহূর্তে নেইমারের পেনাল্টি থেকে গোল। ব্রাজিল ২-১! ব্রাজিল একটু আশা দেখছিল? আর আধ মিনিটে কি সমতা আসবে? নরওয়ের একটু শঙ্কা জেগে ছিল! তবে সব শঙ্কা উবে গেল একটু পরই। রেফারি তিন বার ফুঁ দিলেন বাঁশিতে। নরওয়ের জয় নিশ্চিত হলো সঙ্গে সঙ্গেই। সেই সঙ্গেই গড়া হয়ে গেল ইতিহাসও। কখনো বিশ্বকাপের শেষ ষোলর চৌকাঠ পেরোতে পারেনি নরওয়ে। সেই আক্ষেপটা ঘুচে গেল তাদের। সঙ্গে একটা রেকর্ডও অক্ষত রাখা হয়ে গেল তাদের। এতদিন নরওয়ের বিপক্ষে কখনো জিততে পারেনি ব্রাজিল। আজকের হারের পর সেই রেকর্ড আরও লম্বা হলো।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই ঝলক দেখালো নরওয়ে। বল জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন বের্গা। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। এরপর ব্রাজিল পায় পেনাল্টি। মাতেউস কুনিয়াকে ফাউল করা হয় নরওয়ের বক্সে। শুরুতে রেফারি পেনাল্টি দেননি। পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি। পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারেস। কিন্তু তার শট ডান দিকে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক নাইল্যান্ড।

পেনাল্টি মিসের পরও ব্রাজিল মনোবল হারায়নি। পরপর সুযোগ তৈরি করে যাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর দৃশ্যপটে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার কোণাকুণি শটও দারুণভাবে রুখে দেন নাইল্যান্ড। প্রথমার্ধের শেষদিকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও একটি সুযোগ নষ্ট করেন। কাসেমিরোর বাড়ানো লম্বা বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি তিনি। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন এনদ্রিক। মাঠে নেমেই তিনি পেয়েছিলেন গোল করার একটি বড় সুযোগ। গোলরক্ষককে একা পেয়েও তিনি গোল করতে পারেননি। বল চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস, আর দ্বিতীয়ার্ধে এই মিস।এই দুই মিসের খেসারতই দিতে হয় সেলেসাওদের।

৮০ মিনিটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোল করেন আর্লিং হালান্ড। শেষ দশ মিনিটে আবারও গোল করেন হালান্ড। বক্সের বাইরে থেকে তার শট আলিসন বেকারের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়। এতে স্কোরলাইন হয়ে যায় ২-০!

তবে ম্যাচের শেষদিকে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। বক্সের ভেতর কাসেমিরোকে ফাউল করেন নরওয়ের খেলোয়াড় অস্টিগার্ড। এই পেনাল্টি থেকে গোল করেন নেইমার। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-১। ক্যারিয়ারের ৮০তম গোলটি করেন তিনি। তবে সেটা ব্রাজিলের জন্য যথেষ্ট ছিল না। সেলেসাওরা বিদায় নেয় এই পেনাল্টির একটু পরই। নরওয়ে চলে যায় শেষ আটে।