০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

শঙ্কর ঘোষের হিলকার্ট রোডের দপ্তরে মহিলাদের ভিড়

নতুন গতি প্রতিবেদন, শিলিগুড়ি: কলকাতা যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা থেকে বঞ্চিত যোগ্য মহিলাদের সোমবার দুপুরের মধ্যে তাঁর দপ্তরে গিয়ে তথ্য জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকে হিলকার্ট রোডের দপ্তরে ভিড় জমতে থাকে। ক্রমশ বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হতে থাকায় পুলিশ এসে উপস্থিত হয়। অন্যদিকে, কার্যালয়ের কর্মীরা মহিলাদের অন্নপূর্ণা ফর্মের তথ্য খতিয়ে দেখতে বসেছিলেন।
ভিড় থেকে এক মহিলার অভিযোগ, “অযোগ্য’দের অনেকে টাকা পেয়েছেন। তাঁরা যোগ্য হয়েও বঞ্চিত। কারও অভিযোগ, ঠিকঠাক তথ্য দিয়েও কোন অজানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন। আরেক মহিলা বলেছেন, “অন্নপূর্ণার ফর্ম নিয়ে কোথায় কোথায় না ঘুরতে হল! কখনও এসডিও অফিস গিয়েছি, কখনও কর্পোরেশন। আবার পঞ্চায়েতেও ছুটেছি। কিন্তু সমস্যার সমাধান তো হচ্ছে না! এখন বিধায়ক বলছেন, এখানে কাগজ জমা দিতে। তাই আবার লাইনে দাঁড়ালাম৷”
দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর বক্তব্য, “আমি অসুস্থ। এই টাকাটা পেলে আমার একটু সুবিধা হয়। কিন্তু লাইনেও দাঁড়াতে পারছি না। আমি আশা ছেড়ে দিচ্ছি।” অন্য এক মহিলার আক্ষেপ, “অতি লোভে তাঁতি নষ্ট বলে না? সেটাই হল আমাদের সঙ্গে।”

সিপিআইএমের শহিদ দিবস রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শঙ্কর ঘোষের হিলকার্ট রোডের দপ্তরে মহিলাদের ভিড়

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, শিলিগুড়ি: কলকাতা যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা থেকে বঞ্চিত যোগ্য মহিলাদের সোমবার দুপুরের মধ্যে তাঁর দপ্তরে গিয়ে তথ্য জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকে হিলকার্ট রোডের দপ্তরে ভিড় জমতে থাকে। ক্রমশ বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হতে থাকায় পুলিশ এসে উপস্থিত হয়। অন্যদিকে, কার্যালয়ের কর্মীরা মহিলাদের অন্নপূর্ণা ফর্মের তথ্য খতিয়ে দেখতে বসেছিলেন।
ভিড় থেকে এক মহিলার অভিযোগ, “অযোগ্য’দের অনেকে টাকা পেয়েছেন। তাঁরা যোগ্য হয়েও বঞ্চিত। কারও অভিযোগ, ঠিকঠাক তথ্য দিয়েও কোন অজানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন। আরেক মহিলা বলেছেন, “অন্নপূর্ণার ফর্ম নিয়ে কোথায় কোথায় না ঘুরতে হল! কখনও এসডিও অফিস গিয়েছি, কখনও কর্পোরেশন। আবার পঞ্চায়েতেও ছুটেছি। কিন্তু সমস্যার সমাধান তো হচ্ছে না! এখন বিধায়ক বলছেন, এখানে কাগজ জমা দিতে। তাই আবার লাইনে দাঁড়ালাম৷”
দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর বক্তব্য, “আমি অসুস্থ। এই টাকাটা পেলে আমার একটু সুবিধা হয়। কিন্তু লাইনেও দাঁড়াতে পারছি না। আমি আশা ছেড়ে দিচ্ছি।” অন্য এক মহিলার আক্ষেপ, “অতি লোভে তাঁতি নষ্ট বলে না? সেটাই হল আমাদের সঙ্গে।”