নিউজ ডেস্ক: গত ২ জুলাই ঋতব্রত তৃণমূলের ১০ প্রতিনিধি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কথা বলার পক্ষে এই দুই পক্ষ দাবি করে তারাই আসল তৃণমূল। রোজই চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। টানাটানি চলছে প্রতীক নিয়েও। আড়াআড়ি ভাগ একুশে জুলাই নিয়েও। এবার শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। কমিশন লিখিতভাবে জানিয়েছেন,কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই। অন্যদিকে সাম্প্রতিক, কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বৈধতা নিয়ে। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য, ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি।
অপরদিকে মমতা শিবিরের বক্তব্য, ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে কমিশন। এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে একজন ব্যক্তিকে রাখতে হয় যিনি কমিশনের সঙ্গে দলের হয়ে ‘অফিসিয়ালি’ কথা বলেন। যিনি পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথাও জানাতে পারেন, একইসঙ্গে যার সাক্ষর নির্বাচন কমিশনে বৈধ হিসাবে গণ্য হবে। এই জটিলতার আবহে তৃণমূলের তরফে সেই অধিকার কার কাছে থাকছে তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর। অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল সূত্রে খবর এতদিন সাংগঠনিক ক্ষেত্রে এই সই করতেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
নতুন গতি 
























