০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩

ক্ষৌরকর্ম শেষে অজয়ে স্নান, তলিয়ে মৃত্যু দুই কিশোর-যুবকের

 


 

 

খান আরশাদ, বীরভূম: 

ক্ষৌরকর্ম শেষে অজয় নদীতে স্নান করতে নেমে জলে তলিয়ে মৃত্যু হল ১৯ বছরের এক যুবক ও ১৪ বছরের এক কিশোরের। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের খয়রাশোল থানার চূড়র কলোনি এলাকায়। মৃতরা তিমির মণ্ডল (১৯) ও কৌশিক হালদার (১৪)। তাঁরা সম্পর্কে পিসতুতো-মামাতো ভাই।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা বিরেন মণ্ডলের মৃত্যুর পর ক্ষৌরকর্মের আচার শেষে পরিবারের কয়েকজন একসঙ্গে নদীতে স্নান করতে নামেন। সেই সময় আচমকা গভীর জলে তলিয়ে যায় দুই কিশোর-যুবক। স্থানীয় বাসিন্দারা মাছ ধরার জাল দিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সহায়তায় দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও অবৈজ্ঞানিক বালি উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা। গ্রামবাসীরা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে বালি ঘাট বন্ধ, ঘটনার তদন্ত এবং মৃতদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন।

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলতে মিশর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ক্ষৌরকর্ম শেষে অজয়ে স্নান, তলিয়ে মৃত্যু দুই কিশোর-যুবকের

আপডেট : ৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার

 


 

 

খান আরশাদ, বীরভূম: 

ক্ষৌরকর্ম শেষে অজয় নদীতে স্নান করতে নেমে জলে তলিয়ে মৃত্যু হল ১৯ বছরের এক যুবক ও ১৪ বছরের এক কিশোরের। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের খয়রাশোল থানার চূড়র কলোনি এলাকায়। মৃতরা তিমির মণ্ডল (১৯) ও কৌশিক হালদার (১৪)। তাঁরা সম্পর্কে পিসতুতো-মামাতো ভাই।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা বিরেন মণ্ডলের মৃত্যুর পর ক্ষৌরকর্মের আচার শেষে পরিবারের কয়েকজন একসঙ্গে নদীতে স্নান করতে নামেন। সেই সময় আচমকা গভীর জলে তলিয়ে যায় দুই কিশোর-যুবক। স্থানীয় বাসিন্দারা মাছ ধরার জাল দিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সহায়তায় দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও অবৈজ্ঞানিক বালি উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা। গ্রামবাসীরা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে বালি ঘাট বন্ধ, ঘটনার তদন্ত এবং মৃতদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন।