০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩

মেসির গোলেই আর্জেনটিনা জিতে শেষ ১৬তে

নিউজ ডেস্ক: ত্রাতা সেই মেসি। মিয়ামিতে শেষ ১৬-তে ওঠার লড়াইয়ে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নিজে গপল করলেন। আর জয়সূচক গোলটা এল তাঁর বাড়ানো কর্নার থেকেই। অর্থাৎ শূধু গোল করা নয়, অ্যাসিস্ট করেও দলকে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে তুলে দিলেন সুপারস্টার। এক্সট্রা টাইম শেষে ম্যাচের ফল ৩-২। মিয়ামিতে বিশ্বকাপের প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ছটফট করছিলেন মেসি। প্রথমে তাঁর নেওয়া ফ্রিকিক বাঁচিয়ে দেন কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনহা। ২৮ মিনিট অবধি দলকে লড়াইয়ে রাখলেও, হাইড্রেশন ব্রেকের পরেই বদলে গেল চিত্র। ২৯ মিনিটে গোল করে গেলেন মেসি। বিশ্বকাপে ২০তম গোল মেসির। সপ্তম গোল এবারের বিশ্বকাপে। লিসান্দ্র মার্টিনেজের দুর্দান্ত থ্রু বল সোজা মেসির পায়ে। বাঁ পায়ের আউটস্টেপে বল রিসিভ করে গোলার মতো শট সোজা গোলে। ভোজিনহা হাত বাড়ালেও নাগাল পাননি।

কেপ ভার্দে ডিফেন্ডাররা মেসির এই দৌড় বুঝতেই পারেননি। আর যেভাবে বাঁ পায়ে বল রিসিভ করলেন তা অন্য কোনও স্ট্রাইকারের পক্ষে করা সম্ভব কিনা তা হয়ত বলা মুশকিল। ৪৫ মিনিটে এঞ্জো ফার্নিন্ডেজের শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান ভোজিনহা। ৫২ মিনিটে নীচে নেমে এসে দারুণ একটা বল বাড়ান মেসি। তবে, সময়মতো মলিনা পৌঁছতে পারেননি। ফলে বল চলে যায় মাঠের বাইরে।৫৪ মিনিটে দুয়ারটের শট বাঁচান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তবে সমতা ফেরে ৫৯ মিনিটে। প্রথম পোস্ট থেকে শট করে গোল করে যান দুয়ার্টে। মেন্দেজ ডানদিক থেকে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়েন। বক্সের মধ্যে পাস ধরে দুয়ার্টে সোজা গোলে শট করেন। বল এমিলিয়ানো মার্টিনেজের নাগাল এড়িয়ে যায় গোলে। ৬৩ মিনিটে মেসির সুযোগ পান। ভোজিনহা একা থাকলেও তাঁকে গোল করতে দেননি কেপ ভার্দে গোলকিপার। ৭২ মিনিটে দলকে ফ্রি কিক এনে দেন মেসি। দুয়ার্টে তাঁকে বক্সের বাইরে ফাউল করে বসেন। তাঁর বাঁক খাওয়া শট বাঁ দিকে ঝাপিয়ে বাঁচান ভোজিনহা। নির্ধারিত সময় ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে। এক্সট্রা টাইমে ম্যাচ গড়ালে ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। তাঁর বাঁ পায়ে নেওয়া শট গোলে ঢুকে যায়। ১০২ মিনিটে ফের সমতা ফেরায় কেপ ভার্দে। দুর্দান্ত গোল করেন সিডনি লোপেজ। বাঁদিক থেকে ঢুকে এসে দ্বিতীয় পোস্ট লক্ষ্য করে শট করেন লোপেজ। সরাসরি গোলে ঢুকে যায় বল।

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলতে মিশর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেসির গোলেই আর্জেনটিনা জিতে শেষ ১৬তে

আপডেট : ৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার

নিউজ ডেস্ক: ত্রাতা সেই মেসি। মিয়ামিতে শেষ ১৬-তে ওঠার লড়াইয়ে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নিজে গপল করলেন। আর জয়সূচক গোলটা এল তাঁর বাড়ানো কর্নার থেকেই। অর্থাৎ শূধু গোল করা নয়, অ্যাসিস্ট করেও দলকে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে তুলে দিলেন সুপারস্টার। এক্সট্রা টাইম শেষে ম্যাচের ফল ৩-২। মিয়ামিতে বিশ্বকাপের প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ছটফট করছিলেন মেসি। প্রথমে তাঁর নেওয়া ফ্রিকিক বাঁচিয়ে দেন কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনহা। ২৮ মিনিট অবধি দলকে লড়াইয়ে রাখলেও, হাইড্রেশন ব্রেকের পরেই বদলে গেল চিত্র। ২৯ মিনিটে গোল করে গেলেন মেসি। বিশ্বকাপে ২০তম গোল মেসির। সপ্তম গোল এবারের বিশ্বকাপে। লিসান্দ্র মার্টিনেজের দুর্দান্ত থ্রু বল সোজা মেসির পায়ে। বাঁ পায়ের আউটস্টেপে বল রিসিভ করে গোলার মতো শট সোজা গোলে। ভোজিনহা হাত বাড়ালেও নাগাল পাননি।

কেপ ভার্দে ডিফেন্ডাররা মেসির এই দৌড় বুঝতেই পারেননি। আর যেভাবে বাঁ পায়ে বল রিসিভ করলেন তা অন্য কোনও স্ট্রাইকারের পক্ষে করা সম্ভব কিনা তা হয়ত বলা মুশকিল। ৪৫ মিনিটে এঞ্জো ফার্নিন্ডেজের শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান ভোজিনহা। ৫২ মিনিটে নীচে নেমে এসে দারুণ একটা বল বাড়ান মেসি। তবে, সময়মতো মলিনা পৌঁছতে পারেননি। ফলে বল চলে যায় মাঠের বাইরে।৫৪ মিনিটে দুয়ারটের শট বাঁচান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তবে সমতা ফেরে ৫৯ মিনিটে। প্রথম পোস্ট থেকে শট করে গোল করে যান দুয়ার্টে। মেন্দেজ ডানদিক থেকে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়েন। বক্সের মধ্যে পাস ধরে দুয়ার্টে সোজা গোলে শট করেন। বল এমিলিয়ানো মার্টিনেজের নাগাল এড়িয়ে যায় গোলে। ৬৩ মিনিটে মেসির সুযোগ পান। ভোজিনহা একা থাকলেও তাঁকে গোল করতে দেননি কেপ ভার্দে গোলকিপার। ৭২ মিনিটে দলকে ফ্রি কিক এনে দেন মেসি। দুয়ার্টে তাঁকে বক্সের বাইরে ফাউল করে বসেন। তাঁর বাঁক খাওয়া শট বাঁ দিকে ঝাপিয়ে বাঁচান ভোজিনহা। নির্ধারিত সময় ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে। এক্সট্রা টাইমে ম্যাচ গড়ালে ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। তাঁর বাঁ পায়ে নেওয়া শট গোলে ঢুকে যায়। ১০২ মিনিটে ফের সমতা ফেরায় কেপ ভার্দে। দুর্দান্ত গোল করেন সিডনি লোপেজ। বাঁদিক থেকে ঢুকে এসে দ্বিতীয় পোস্ট লক্ষ্য করে শট করেন লোপেজ। সরাসরি গোলে ঢুকে যায় বল।