নিউজ ডেস্ক: আটলান্টার মার্সিডিজ-বেন্স স্টেডিয়ামে বুধবার শেষ বত্রিশের ম্যাচে ইংল্যান্ড ২-১ গোলে কষ্টার্জিত জয় পেল কঙ্গোর বিরুদ্ধে।
পুরো ম্যাচে প্রায় ৬০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে, গোলের জন্য ১৬টি শট নিয়ে চেষ্টা নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে ইংল্যান্ড। আর ডিআর কঙ্গোর সাত শটের দুটি ছিল লক্ষ্যে।
বিশ্ব মঞ্চে প্রথমবার নকআউটে সুযোগ পেয়ে, মাঠে নেমেই গোল পেয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। সপ্তম মিনিটে ডান দিক থেকে শচেল বিম্বার ক্রস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে, জোরাল শটে কাছের পোস্ট ঘেঁষে লক্ষ্যভেদ করেন সিপিঙ্গা।কঙ্গো ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ইংল্যান্ড। সময় গড়ানোর সঙ্গে আরও মরিয়া হয়ে উঠতে থাকে তারা। সুযোগও পেয়েও সাফল্য আসছিল না।
ডিআর কঙ্গোর জমাট রক্ষণ আর এমপাসির মজবুত দেয়ালে কেইন-বেলিংহ্যামদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছিল।
অবশেষে, ৭৫ মিনিটে এমপাসির প্রাচীরে ফাটল ধরাতে পারে ইংল্যান্ড। বাঁ দিক থেকে গর্ডনের ক্রস ছয় গজ বক্সে পেয়ে, হেডে সমতা টানেন কেইন।
এরপর নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে চমৎকার এক গোলে ব্যবধান গড়ে দেন কেইন।
চলতি আসরে পাঁচটিসহ বিশ্বকাপে কেইনের মোট গোল হলো ১৩টি। জাতীয় দলের হয়ে ১১৮ ম্যাচে তার গোল হলো ৮৪টি।
এই আসরেই গ্রুপ পর্বে তিনটি গোল করার পথে, লিনেকারকে (১০) ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন কেইন।
কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ড খেলবে মেক্সিকোর বিপক্ষে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আসতেকা স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি হবে আগামী সোমবার ।
নতুন গতি 



















