২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে আবার খুলে গেলো আরজি কর কাণ্ডের খাতা

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কোর্টের নির্দেশে সঞ্জয় রায় অভিযুক্ত। কিন্তু শুধু কি সঞ্জয়? এই প্রশ্ন প্রথম থেকেই। বহু প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। এই সব নিয়ে ধোঁয়াশা। তিলোত্তমার বাবা-মা চেয়েছিলেন, আবারও শুরু হোক তদন্ত। এবার সেই নির্দেশই দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। সিবিআই এতদিন ধরে কী তদন্ত করেছে, রিপোর্টে কী লেখা হয়েছে, সেই সব বিষয় উঠে আসে এদিন। আবার তদন্ত শুরু করা উচিৎ কি না, সেই বিষয় খতিয়ে দেখেন বিচারপতিরা।

এই মামলার সামাজিক প্রভাব দেখেই ফের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআই জয়েন্ট ডিরেক্টর (পূর্বাঞ্চল) সহ তিন আধিকারিককে নিয়ে সিবিআই সিট গঠন করা হল আদালতের নির্দেশে। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ফের তদন্ত শুরু করবে সিট। ঘটনার দিন রাতের ডিনার থেকে শুরু করে মৃতদেহ দাহ এবং প্রমান লোপাট সহ সব বিষয়ের তদন্ত হবে।

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এদিন সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, “এক বছর সাত মাসে কী করেছেন? আপনাদের রিপোর্টে শুধু সিবিআই কী কী করেছে সেটা লেখা আছে।” বিচারপতি শম্পা সরকার প্রশ্ন করেন, “চার্জশিট জমা দেওয়ার পর ৭০-৮০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সেটা করে কী পেলেন?” পুলিশি তদন্তে কিছু ত্রুটি হয়েছে, সেগুলি রিপোর্টে লেখা হয়েছে বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। বিচারপতির স্পষ্ট নির্দেশ, “ডিনার থেকে শুরু করুন ইন্সিডেন্ট পর্যন্ত। নিজেরাই যা যা ল্যাপস পয়েন্ট আউট করেছেন, সেগুলি নিয়ে ফের কাজ শুরু করুন। ফোকাস করুন ওই ল্যাপসগুলিতে।”

মেখলিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল সংঘটিত করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে আবার খুলে গেলো আরজি কর কাণ্ডের খাতা

আপডেট : ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কোর্টের নির্দেশে সঞ্জয় রায় অভিযুক্ত। কিন্তু শুধু কি সঞ্জয়? এই প্রশ্ন প্রথম থেকেই। বহু প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। এই সব নিয়ে ধোঁয়াশা। তিলোত্তমার বাবা-মা চেয়েছিলেন, আবারও শুরু হোক তদন্ত। এবার সেই নির্দেশই দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। সিবিআই এতদিন ধরে কী তদন্ত করেছে, রিপোর্টে কী লেখা হয়েছে, সেই সব বিষয় উঠে আসে এদিন। আবার তদন্ত শুরু করা উচিৎ কি না, সেই বিষয় খতিয়ে দেখেন বিচারপতিরা।

এই মামলার সামাজিক প্রভাব দেখেই ফের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআই জয়েন্ট ডিরেক্টর (পূর্বাঞ্চল) সহ তিন আধিকারিককে নিয়ে সিবিআই সিট গঠন করা হল আদালতের নির্দেশে। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ফের তদন্ত শুরু করবে সিট। ঘটনার দিন রাতের ডিনার থেকে শুরু করে মৃতদেহ দাহ এবং প্রমান লোপাট সহ সব বিষয়ের তদন্ত হবে।

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এদিন সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, “এক বছর সাত মাসে কী করেছেন? আপনাদের রিপোর্টে শুধু সিবিআই কী কী করেছে সেটা লেখা আছে।” বিচারপতি শম্পা সরকার প্রশ্ন করেন, “চার্জশিট জমা দেওয়ার পর ৭০-৮০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সেটা করে কী পেলেন?” পুলিশি তদন্তে কিছু ত্রুটি হয়েছে, সেগুলি রিপোর্টে লেখা হয়েছে বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। বিচারপতির স্পষ্ট নির্দেশ, “ডিনার থেকে শুরু করুন ইন্সিডেন্ট পর্যন্ত। নিজেরাই যা যা ল্যাপস পয়েন্ট আউট করেছেন, সেগুলি নিয়ে ফের কাজ শুরু করুন। ফোকাস করুন ওই ল্যাপসগুলিতে।”