২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কোন্নগরে চলল বুলডোজার, ভেঙে দেওয়া হল টোল আদায়ের অফিস

আনজুম মুনির, হাওড়া: এবার কোন্নগরে চলল বুলডোজার। ভেঙে দেওয়া হল টোল আদায়ের অফিস। বিধায়ক দাঁড়িয়ে থেকে বুলডোজার চালিয়ে তা ভেঙে দিলেন। কোন্নগর রেল স্টেশনে আন্ডারপাসে টোল গেট বসিয়ে টাকা তোলা হতো। উত্তরপাড়ার বিজেপি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দীপাঞ্জন চক্রবর্তী কোন্নগর পুরসভায় গিয়ে টোল আদায়ের অনুমতি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান। বিধায়ক জানান, পুরসভা কোনও কাগজ দেখাতে পারেনি। আন্ডারপাসে টোল আদায়ের জন্য ২০০৮ সালে লিজ দেওয়া হয়। তারপর সেই অনুমোদন পত্র রিনিউ করা হয়নি। এই ভাবেই চলছিল এতদিন টোলা আদায়।

অনুমোদনহীন যত টোল আছে, তা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপরেই বিধায়ক কোন্নগর আন্ডারপাসের টোল আদায় বন্ধ করতে বলেন পুলিশকে। আজ বুলডোজার চালিয়ে যে অফিস থেকে টোল আদায় করা হত, আন্ডারপাসের সামনের সেই অফিস ভেঙ্গে দেওয়া হয়। বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, “উত্তরপাড়ায় কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। বেআইনি পার্টি অফিস হোক বা বাড়ি, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস বলেন, “২০০০ সালে রেল এবং রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে কোন্নগর স্টেশনের এই আন্ডারপাস তৈরি হয়েছিল। জেলা পরিষদের জায়গা ছিল। এটি দেখভালের জন্য কোন্নগর পুরসভাকে হ্যান্ডওভার করেছিল জেলা পরিষদ। যখন বেআইনি টোল বন্ধ করা নিয়ে নির্দেশ দিল সরকার, তখনই জেলা পরিষদের কাছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম লিখিত কোনও নির্দেশ আছে কিনা, তা এখনো পর্যন্ত আমরা পাইনি। ২০০৮ সাল থেকে এই টোল আদায় চলছে। ২০২২ সাল পর্যন্ত বছরে বারো ১২ টাকা করে পেতো পুরসভা। আমি গত তিন বছর ধরে সেটা ৫০ হাজার টাকা করেছি। আন্ডারপাসের তলায় জল জমে যায় নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য পুরসভার লোক লাগাতে হয়। সরকারের যা নির্দেশ আছে সেটা মেনে চলতে হবে সকলকে।”

মেখলিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল সংঘটিত করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোন্নগরে চলল বুলডোজার, ভেঙে দেওয়া হল টোল আদায়ের অফিস

আপডেট : ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, হাওড়া: এবার কোন্নগরে চলল বুলডোজার। ভেঙে দেওয়া হল টোল আদায়ের অফিস। বিধায়ক দাঁড়িয়ে থেকে বুলডোজার চালিয়ে তা ভেঙে দিলেন। কোন্নগর রেল স্টেশনে আন্ডারপাসে টোল গেট বসিয়ে টাকা তোলা হতো। উত্তরপাড়ার বিজেপি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দীপাঞ্জন চক্রবর্তী কোন্নগর পুরসভায় গিয়ে টোল আদায়ের অনুমতি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান। বিধায়ক জানান, পুরসভা কোনও কাগজ দেখাতে পারেনি। আন্ডারপাসে টোল আদায়ের জন্য ২০০৮ সালে লিজ দেওয়া হয়। তারপর সেই অনুমোদন পত্র রিনিউ করা হয়নি। এই ভাবেই চলছিল এতদিন টোলা আদায়।

অনুমোদনহীন যত টোল আছে, তা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপরেই বিধায়ক কোন্নগর আন্ডারপাসের টোল আদায় বন্ধ করতে বলেন পুলিশকে। আজ বুলডোজার চালিয়ে যে অফিস থেকে টোল আদায় করা হত, আন্ডারপাসের সামনের সেই অফিস ভেঙ্গে দেওয়া হয়। বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, “উত্তরপাড়ায় কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। বেআইনি পার্টি অফিস হোক বা বাড়ি, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস বলেন, “২০০০ সালে রেল এবং রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে কোন্নগর স্টেশনের এই আন্ডারপাস তৈরি হয়েছিল। জেলা পরিষদের জায়গা ছিল। এটি দেখভালের জন্য কোন্নগর পুরসভাকে হ্যান্ডওভার করেছিল জেলা পরিষদ। যখন বেআইনি টোল বন্ধ করা নিয়ে নির্দেশ দিল সরকার, তখনই জেলা পরিষদের কাছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম লিখিত কোনও নির্দেশ আছে কিনা, তা এখনো পর্যন্ত আমরা পাইনি। ২০০৮ সাল থেকে এই টোল আদায় চলছে। ২০২২ সাল পর্যন্ত বছরে বারো ১২ টাকা করে পেতো পুরসভা। আমি গত তিন বছর ধরে সেটা ৫০ হাজার টাকা করেছি। আন্ডারপাসের তলায় জল জমে যায় নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য পুরসভার লোক লাগাতে হয়। সরকারের যা নির্দেশ আছে সেটা মেনে চলতে হবে সকলকে।”