দেবজিৎ মুখার্জি, পূর্ব মেদিনীপুর: রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের পরেই দলীয় কার্যালয়ে দখলের অভিযোগ উঠে আসছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। সেরকমই পূর্ব মেদিনীপুরের শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের সাহড়া গ্রামের হলদিয়া- মেছেদা রাজ্য সড়কের পাশে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ৪ তারিখ ফলপ্রকাশের রাতেই কিছু উৎসাহী বিজেপি কর্মী-সমর্থক তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল করে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, তা গেরুয়া রঙও করে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সেই দলীয় কার্যালয়টি তৃণমূলের নেতৃত্বের হাতে হস্তান্তরের কথা ছিলো। যথারূতি সকাল দশটা থেকে দুই পক্ষের নেতৃত্বরা উপস্থিত হন সাহড়ায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে। বিজেপি নেতৃত্বরা তৃণমূল নেতৃত্বের হাতে চাবি তুলে দিয়ে দলীয় কার্যালয়ে খুলে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করার পরেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। বিজেপি নেতৃত্বরা দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে একটি ব্যাগ থেকে উদ্ধার করেন কয়েকশো সরকারি রেশন কার্ড, যা কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপরই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখায় পাশাপাশি অবরোধ ও করে হলদিয়া- মেচেদা রাজ্য সড়ক।
বিজেপির দাবি এই সমস্ত রেশন কার্ড নিয়ে অবৈধ কাজকর্ম করত তৃণমূলের। রেশন কার্ড থেকে রেশনও তুলত বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতৃত্বরা। বিজেপির যাবি অবিলম্বে প্রশাসন এই দলীয় কার্যালয়টি বাজেয়াপ্ত করুক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে আসে কোলাঘাট থানার পুলিশ। কয়েকশো রেশন কার্ড তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। যদিও তৃণমূলে দাবি এই রেশন কার্ডগুলি বহু বছর আগেকার। ২০১৮ সাল নাগাদ তৎকালীন সময়ে শান্তিপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে স্থানীয় গ্রাম সদস্যকে দেওয়া হয়েছিল পঞ্চায়েত থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বিলোনোর জন্য।
তৎকালীন সাহড়া গ্রামের সদস্য মদন চন্দ্র দাস বলেন, “আমি কিছু ব্যক্তিকে রেশন কার্ড বিলিয়ে ছিলাম। কিন্তু প্রত্যেকেরই রেশন কার্ড চলে আসে বাড়িতে। তবে আমার উচিত ছিল পঞ্চায়েতে ফেরত দেওয়া। সেটা না করায় আমি ভুল করেছি।” সব মিলিয়ে সাহাড়া গ্রামে দলীয় কার্যালয় বিজেপির কাছ থেকে তৃণমূলের নেতৃত্বের হাতপ হস্তান্তরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায় এবং নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
নতুন গতি 


























