নিউজ ডেস্ক: এবার বোধয় বাংলায় শুরু হলো উত্তরপ্রদেশ থিওরি -‘এনকাউন্টার’। গণতন্ত্রের পক্ষে এটা খুবই বিপজ্জক। খবরে প্রকাশ,পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু বারুইপুর ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে অন্যতম এক অভিযুক্তের। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালায় ওই অভিযুক্ত। এর পরই পুলিশও গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। এই অভিযুক্তকেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল সিসিটিভি ফুটেজে। রাজ্যে এই প্রথম ধর্ষণ-খুন মামলায় এনকাউন্টার হল।
জানা গিয়েছে, অপরাধের পুর্ননির্মাণের জন্য পুলিশ গতকাল, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাত ১২টো ৪৫ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত আচমকাই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায়।
তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, অভিযুক্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তাঁর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। এই অভিযুক্তই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রেল লাইনের পাশে পুকুর থেকে নির্যাতিতার মৃতদেহ উদ্ধার করিয়েছিল। সেইসঙ্গে পলাতক খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চতুর্থ জনকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপরই গতকাল রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টার।
নতুন গতি 




















