নিউজ ডেস্ক: ২২ বছরের অপেক্ষার পর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের আশা, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দাম পেল। ইন্টার কাশির বিরুদ্ধে কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ম্যাচ জিতল লাল-হলুদ ব্রিগেড ২-১ গোলে।
আলফ্রেড গোল করে কাশীকে এগিয়ে দেন। এরপর ৫০ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরাল ইস্টবেঙ্গল। গোল করলেন এজ্জেজারি। ৭৪ মিনিটে রশিদের গোলে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এদিন ম্যাচের ১৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইন্টার কাশী। ডান পায়ের ভলিতে অসাধারণ গোল করেন আলফ্রেড। চাপ বাড়তে থাকে ইস্টবেঙ্গলের উপর। তবে ইস্টবেঙ্গল কামব্যাক করে। খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো ম্যাচে ফেরে।
আইএসএল মরসুমের শেষ রাউন্ডে লাল-হলুদ ব্রিগেড ১২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে ছিল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে গোল পার্থক্যে পিছনে ফেলে। ইস্টবেঙ্গলের গোল পার্থক্য ১৮, বাগানের ১৩। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, মুম্বই সিটি এফসি, পাঞ্জাব এফসি এবং জামশেদপুর এফসি — এই পাঁচটি দল এখনও গাণিতিকভাবে শিরোপা জয়ের দৌড়ে ছিল। তবে ইস্টবেঙ্গলের এই জয় চ্যাম্পিয়নশিপের ভাগ্য বদলে দিল। এবার আইএসএলের রঙ লাল-হলুদ।
নতুন গতি 




























