দেবজিৎ মুখার্জি: মাহি নেতৃত্ব ছাড়ার পরই কি পতন শুরু হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের? গত ৩ বছর ধরে ‘ইয়েলো আর্মি’কে নিয়ে এই প্রশ্ন উঠছে ক্রিকেট মহলে। যেই সিএসকে একটা সময়ে আইপিএলের অন্যান্য দলগুলির কাছে আতঙ্কের আরেক নাম ছিল, এখন তাদের অবস্থাই বেশ শোচনীয়। বলা ভালো, করুন অবস্থা গোটা শিবিরের। তাদের নিয়ে একপ্রকার ছেলেখেলা করছে অন্যান্য অংশগ্রহণকারী দলগুলি। এবারও ছিটকে গেল তারা।
২০০৮ সালে শুরু হয়েছে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রি য়ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএল। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই টুর্নামেন্টে নিজেদের দাপট ধরে রেখেছিল এমএস ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। মোট পাঁচবার তাদের ঝুলিতে উঠেছে ট্রফি। প্রথম মরশুম থেকে দ্বাদশতম মরশুম পর্যন্ত তাদের ছড়ি ঘোরাতে দেখা গিয়েছে অন্যান্য দলগুলির উপর। বলা যায়, তাদের ছাড়া আইপিএলের ‘প্লে অফ’ ভাবাই যেত না। মাঝে অবশ্য তারা বছর দুয়েকের জন্য নির্বাসিত ছিল।
২০২০ সালে সিএসকে প্রথমবার ব্যর্থ হয় আইপিএলের ‘প্লে অফ’ পর্বে উঠতে। তবে ট্রফি নিজেদের নামে করতে সফল হয় ২০২১ এবং ২০২৩ সালে। তারপরই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব যায় ঋতুরাজ গায়েকোয়াড়ের কাঁধে। এরপরই শেষ হয় ‘ইয়েলো আর্মি’র সোনালি দিন। ২০২৪ থেকে এই পর্যন্ত তারা পেরোতে পারিনি গ্রুপ পর্বের গণ্ডি, যা উদ্বেগ ও হতাশার কারণ হয়ে উঠেছে দলের সমর্থকদের কাছে।
শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঋতুরাজ গায়েকোয়াড়ের অধিনায়কত্ব থেকে শুরু করে টিম ম্যানেজমেন্টের স্ট্র্যাটেজি, সবটাই এখন ক্রিকেটপ্রেমী ও ক্রিকেট মহলের স্ক্যানারে। একাধিকবার সমর্থকদের হতাশা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। তার উপর এবারের আইপিএলে প্লেয়িং একাদশে দেখা যায়নি ক্যাপ্টেন কুলকে, অর্থাৎ মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধারাবাহিকভাবে দলের এমন দিশাহীন পারফরম্যান্স যে অস্বস্তি বাড়িয়েছে গোটা শিবিরের, তা না বললেও চলে। এবার দেখার বিষয় যে এই খড়া কাটাতে পরবর্তী মরশুমে কি পরিবর্তন আনে টিম ম্যানেজমেন্ট।
নতুন গতি 




























