২৩ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
২৩ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

শুধু শওকত মোল্লা নয়, মাতলার চর ছিল যেন ওই অঞ্চলের তৃণমূল নেতাদের ‘বাপের সম্পত্তি’

আনজুম মুনির, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাতলা নদী সংলগ্ন অঞ্চলে এমন সংস্কৃতি তৃণমূল চালু করেছিলেন যে সবটাই ওদের বাপের সম্পত্তি। মাতলা নদী যেন তৃণমূল নেতাদের বাবার সম্পত্তি! একদিকে এই মাতলা নদীর চর বুজিয়ে বিরাট ক্যাফে তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে। আর এবার সেই নদীরই চর বিক্রির অভিযোগ উঠল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের (Pareshram Das) বিরুদ্ধে।

লক্ষ-লক্ষ টাকা নিয়ে পরেশ রাম দোকান বসিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নদীর চরে গজিয়ে উঠেছে বৃদ্ধাশ্রমও। নামমাত্র কয়েকজন বৃদ্ধা থাকেন, বাকি সবটাই নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার করে বিধায়ক বলে অভিযোগ। এমনকী, বিলাসবহুল বিশ্রামগারও বানিয়েছেন এই পরেশরাম।

এক ব্যক্তি জানালেন, “মীনা মণ্ডল আমার দিদি। এটা জামাইবাবু জানেন। বাড়ি করার জন্য কাউকে টাকা দিতে হয়নি।”এক মহিলা বলেন, “এখানে বাড়ি করতে অনেক টাকা লাগে। এক কাঠার জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হত।” আরও এক মহিলা বলেন, “এগুলো সব নদীর জায়গা। সেই চর বিক্রি করা হয়েছে।” এলাকার বিজেপি নেতা বলেন, “মাতলার এক পাশে জীবনতলা পড়ে। অন্যদিকে পড়ে ক্যানিং থানা। এই শওকতের এক জেরক্স কপি আছে। বৃদ্ধাশ্রমের নাম করে ভিতরে ফাইভ স্টার পরিষেবা আছে।”

দৃষ্টিহীন ছাত্রদের উদ্যোগে বিশ্বভারতীতে স্বেচ্ছা রক্তদান, রক্ত দিলেন ৩ দৃষ্টিহীন ছাত্রসহ ২০ জন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শুধু শওকত মোল্লা নয়, মাতলার চর ছিল যেন ওই অঞ্চলের তৃণমূল নেতাদের ‘বাপের সম্পত্তি’

আপডেট : ৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাতলা নদী সংলগ্ন অঞ্চলে এমন সংস্কৃতি তৃণমূল চালু করেছিলেন যে সবটাই ওদের বাপের সম্পত্তি। মাতলা নদী যেন তৃণমূল নেতাদের বাবার সম্পত্তি! একদিকে এই মাতলা নদীর চর বুজিয়ে বিরাট ক্যাফে তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে। আর এবার সেই নদীরই চর বিক্রির অভিযোগ উঠল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের (Pareshram Das) বিরুদ্ধে।

লক্ষ-লক্ষ টাকা নিয়ে পরেশ রাম দোকান বসিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নদীর চরে গজিয়ে উঠেছে বৃদ্ধাশ্রমও। নামমাত্র কয়েকজন বৃদ্ধা থাকেন, বাকি সবটাই নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার করে বিধায়ক বলে অভিযোগ। এমনকী, বিলাসবহুল বিশ্রামগারও বানিয়েছেন এই পরেশরাম।

এক ব্যক্তি জানালেন, “মীনা মণ্ডল আমার দিদি। এটা জামাইবাবু জানেন। বাড়ি করার জন্য কাউকে টাকা দিতে হয়নি।”এক মহিলা বলেন, “এখানে বাড়ি করতে অনেক টাকা লাগে। এক কাঠার জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হত।” আরও এক মহিলা বলেন, “এগুলো সব নদীর জায়গা। সেই চর বিক্রি করা হয়েছে।” এলাকার বিজেপি নেতা বলেন, “মাতলার এক পাশে জীবনতলা পড়ে। অন্যদিকে পড়ে ক্যানিং থানা। এই শওকতের এক জেরক্স কপি আছে। বৃদ্ধাশ্রমের নাম করে ভিতরে ফাইভ স্টার পরিষেবা আছে।”