০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

এবার ৫২ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনার পথে ভারত

নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। সেই পরিস্থিতিয়ে দেশের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। সেদিকে লক্ষ রেখেই ভারত আরো মজবুত করতে চলেছে প্রতিরক্ষা। নজরে চিন ও পাকিস্তান! সেনার হাতে আসছে কামিকাজে ড্রোন, গাইডেড মিসাইল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বাধীন ‘ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল’ প্রায় ৫২ হাজার কোটির সমরাস্ত্র কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, সামুদ্রিক নজরদারি ড্রোন, উচ্চ-উচ্চতায় নজরদারি চালানোর প্রযুক্তির মতো বহু উল্লেখযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিকীকরণে, আত্মনির্ভরতার উপরে আরও বেশি জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। আর সেই লক্ষ্যেই এবার বিপুল সংখ্যক অস্ত্র কেনায় মিলেছে অনুমোদন। এর মধ্যে আলাদা করে অবশ্যই নজর কাড়ছে কামিকাজে ড্রোন। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সাঁজোয়া বাহিনী প্রবল মার খেয়েছিল কামিকাজে ড্রোনের হাতে।

মূলত তুরস্ক থেকে আসা ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলি রাশিয়ার অত্যাধুনিক টি-৭২, টি-৯০ ট্যাঙ্ক বহরকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিল। বিপুল মূল্যের ওই সব ট্যাঙ্ককে পরাস্ত করতে স্বল্পমূল্যের কামিকাজে ড্রোন চমকে দিয়েছিল। এবার সেই ড্রোনই ভারতের ভাঁড়ারে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানার আগে নির্দিষ্ট এলাকার উপর দীর্ঘসময় ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে এই ড্রোন। এছাড়াও চালকবিহীন বিমান-বিরোধী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ‘আকাশ তরঙ্গ’, ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেম, মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল কেনাতেও মিলেছে সবুজ সংকেত। পাশাপাশি নৌসেনার জন্য ডিএসি ‘মাল্টি-ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন’ ও ‘নভাল শিপবোর্ন আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম’ সংগ্রহ এবং বৈদ্যুতিক প্রপালশন ব্যবস্থার জন্য একটি ‘ল্যান্ড-বেসড টেস্টিং ফ্যাসিলিটি’ স্থাপনের অনুমোদনও মিলেছে।

সর্বাধিক পাঠিত

শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ছিল না বিদ্যুৎ সংযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার ৫২ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনার পথে ভারত

আপডেট : ৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার

নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। সেই পরিস্থিতিয়ে দেশের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। সেদিকে লক্ষ রেখেই ভারত আরো মজবুত করতে চলেছে প্রতিরক্ষা। নজরে চিন ও পাকিস্তান! সেনার হাতে আসছে কামিকাজে ড্রোন, গাইডেড মিসাইল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বাধীন ‘ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল’ প্রায় ৫২ হাজার কোটির সমরাস্ত্র কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, সামুদ্রিক নজরদারি ড্রোন, উচ্চ-উচ্চতায় নজরদারি চালানোর প্রযুক্তির মতো বহু উল্লেখযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিকীকরণে, আত্মনির্ভরতার উপরে আরও বেশি জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। আর সেই লক্ষ্যেই এবার বিপুল সংখ্যক অস্ত্র কেনায় মিলেছে অনুমোদন। এর মধ্যে আলাদা করে অবশ্যই নজর কাড়ছে কামিকাজে ড্রোন। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সাঁজোয়া বাহিনী প্রবল মার খেয়েছিল কামিকাজে ড্রোনের হাতে।

মূলত তুরস্ক থেকে আসা ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলি রাশিয়ার অত্যাধুনিক টি-৭২, টি-৯০ ট্যাঙ্ক বহরকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিল। বিপুল মূল্যের ওই সব ট্যাঙ্ককে পরাস্ত করতে স্বল্পমূল্যের কামিকাজে ড্রোন চমকে দিয়েছিল। এবার সেই ড্রোনই ভারতের ভাঁড়ারে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানার আগে নির্দিষ্ট এলাকার উপর দীর্ঘসময় ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে এই ড্রোন। এছাড়াও চালকবিহীন বিমান-বিরোধী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ‘আকাশ তরঙ্গ’, ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেম, মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল কেনাতেও মিলেছে সবুজ সংকেত। পাশাপাশি নৌসেনার জন্য ডিএসি ‘মাল্টি-ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন’ ও ‘নভাল শিপবোর্ন আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম’ সংগ্রহ এবং বৈদ্যুতিক প্রপালশন ব্যবস্থার জন্য একটি ‘ল্যান্ড-বেসড টেস্টিং ফ্যাসিলিটি’ স্থাপনের অনুমোদনও মিলেছে।