১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

মানুষের মুখে মুখে কোইলভেনি গ্রামের এই মন্দিরের নামই হয়ে গিয়েছে ‘ডায়বেটিস মন্দির

আনজুম মুনির: সুখ-স্বাস্থ্য-সন্তান চেয়ে বারেবারে ঈশ্বরের দ্বারস্থ হয় মানুষ। যে রোগের দাপটে সে বহুকাল ধরে কাবু, তা থেকেও নিষ্কৃতি চায় প্রায়শই। কিন্তু এমন এক মন্দির, যেখানে মানুষ যায় কেবলমাত্র একটি রোগই সারানোর জন্য— এমনটা খুব একটা শোনা যায় না। ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে তামিলনাড়ুতে অবশ্য রয়েছে এমনই এক মন্দির, যেখানে আগত ভক্তদের দাবি থাকে কেবল একটিই— ব্লাড সুগার থেকে মুক্তি! মানুষের মুখে মুখে কোইলভেনি গ্রামের এই মন্দিরের নামই হয়ে গিয়েছে ‘ডায়বেটিস মন্দির’। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মন্দিরে বিশেষ একটি আচার পালন করলে রক্তশর্করার যাবতীয় সমস্যা কমতে পারে। ঈশ্বরের উদ্দেশে ভক্তরা শুধুমাত্র গুড় নিবেদন করেন।

মন্দিরের আসল নাম কারুম্বেশ্বরর মন্দির। তামিল সন্ত তিরুজ্ঞানাসম্বন্দর ও তিরুনাভুক্কারাসর তাঁদের ভক্তিগীতিতে যে ২৭৫টি পাড়ল পেত্রা স্থলম অর্থাৎ পবিত্র শিবমন্দিরের কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যেই অন্যতম এটি। ঈশ্বর ছাড়াও এই মন্দিরে বাস করে লক্ষাধিক পিঁপড়ে! বহু বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ প্রাচীন এই মন্দিরে প্রার্থনা করতে আসেন।স্থানীয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মধুমেহ সারাতে চাইলে গুড় হাতে আসতে হয় মন্দিরে। নিবেদন করার পর সেই গুড় যদি মন্দিরে উপস্থিত পিঁপড়েরা খায়, অথবা বহন করে নিয়ে যায়, তা শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ‘মিষ্টতা’ বা রক্তের শর্করা প্রতীকীভাবে দূর হয়ে যায়।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মানুষের মুখে মুখে কোইলভেনি গ্রামের এই মন্দিরের নামই হয়ে গিয়েছে ‘ডায়বেটিস মন্দির

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির: সুখ-স্বাস্থ্য-সন্তান চেয়ে বারেবারে ঈশ্বরের দ্বারস্থ হয় মানুষ। যে রোগের দাপটে সে বহুকাল ধরে কাবু, তা থেকেও নিষ্কৃতি চায় প্রায়শই। কিন্তু এমন এক মন্দির, যেখানে মানুষ যায় কেবলমাত্র একটি রোগই সারানোর জন্য— এমনটা খুব একটা শোনা যায় না। ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে তামিলনাড়ুতে অবশ্য রয়েছে এমনই এক মন্দির, যেখানে আগত ভক্তদের দাবি থাকে কেবল একটিই— ব্লাড সুগার থেকে মুক্তি! মানুষের মুখে মুখে কোইলভেনি গ্রামের এই মন্দিরের নামই হয়ে গিয়েছে ‘ডায়বেটিস মন্দির’। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মন্দিরে বিশেষ একটি আচার পালন করলে রক্তশর্করার যাবতীয় সমস্যা কমতে পারে। ঈশ্বরের উদ্দেশে ভক্তরা শুধুমাত্র গুড় নিবেদন করেন।

মন্দিরের আসল নাম কারুম্বেশ্বরর মন্দির। তামিল সন্ত তিরুজ্ঞানাসম্বন্দর ও তিরুনাভুক্কারাসর তাঁদের ভক্তিগীতিতে যে ২৭৫টি পাড়ল পেত্রা স্থলম অর্থাৎ পবিত্র শিবমন্দিরের কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যেই অন্যতম এটি। ঈশ্বর ছাড়াও এই মন্দিরে বাস করে লক্ষাধিক পিঁপড়ে! বহু বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ প্রাচীন এই মন্দিরে প্রার্থনা করতে আসেন।স্থানীয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মধুমেহ সারাতে চাইলে গুড় হাতে আসতে হয় মন্দিরে। নিবেদন করার পর সেই গুড় যদি মন্দিরে উপস্থিত পিঁপড়েরা খায়, অথবা বহন করে নিয়ে যায়, তা শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ‘মিষ্টতা’ বা রক্তের শর্করা প্রতীকীভাবে দূর হয়ে যায়।