১৬ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৬ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩

অমরজিতের অমর প্রয়াসকে কুর্নিশ

সুফি রফিক উল ইসলাম:মেমারি: ১৫ আগষ্ট : পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি পৌরসভার হাটপুকুর কৃষ্ণবাজারে বসবাসকারী টোটোচালক অমরজিৎ রায় ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে আসছেন। পূর্বে রিক্সা চালক বর্তমানে টোটোচালক অমরজিৎ রায় বাল্যকালে বিহার থেকে এসে মেমারির হাটপুকুর কৃষ্ণবাজারে বসবাস শুরু করে একটু বড়ো হয়ে রিক্সা চালক হিসেবে জীবন যাপন শুরু করার পরে নিজস্ব ঐকান্তিক ভাবনায় নিজ প্রচেষ্টায় স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস পালনে ব্রতী হয়েছিলেন। সেই প্রয়াস ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছরই চলে আসছে। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় এবং নিজ ব্যয়ে ছোটদের অঙ্কন প্রতিযোগিতা করে থাকেন। পুরস্কারের সঙ্গে সকল কে খাতা, কলম, পেনসিল, রবার, চকলেট, বেলুন, মিষ্টি প্রভৃতি উপহার দিয়ে থাকেন।এক‌ইসঙ্গে উপস্থিত সকলের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা থাকে। পরবর্তী সময়ে তাঁর এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সহযোগী হিসেবে রোহিত কুমার সাউ, বরুণ মিশ্র প্রমুখ গুটিকয়েক তরুণ কে পেয়েছেন। এছাড়াও এলাকার কয়েকজন সুহৃদ ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অমরজিতের এই ঐকান্তিক প্রয়াসে। অমরজিৎ প্রভাত ফেরী ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় স্থানীয় হিন্দি জনতা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের সহযোগিতাও বর্তমানে পেয়ে থাকেন। প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ছাড়া নেতাজি ও গান্ধীজির ভক্ত দেশপ্রেমিক স্বদেশপ্রেমী টোটোচালক অমরজিৎ রায়ের এই অমর প্রয়াস কে কুর্নিশ জানাতেই হয় ।

সর্বাধিক পাঠিত

৮০তম পতাকা উত্তোলন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অমরজিতের অমর প্রয়াসকে কুর্নিশ

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার

সুফি রফিক উল ইসলাম:মেমারি: ১৫ আগষ্ট : পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি পৌরসভার হাটপুকুর কৃষ্ণবাজারে বসবাসকারী টোটোচালক অমরজিৎ রায় ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে আসছেন। পূর্বে রিক্সা চালক বর্তমানে টোটোচালক অমরজিৎ রায় বাল্যকালে বিহার থেকে এসে মেমারির হাটপুকুর কৃষ্ণবাজারে বসবাস শুরু করে একটু বড়ো হয়ে রিক্সা চালক হিসেবে জীবন যাপন শুরু করার পরে নিজস্ব ঐকান্তিক ভাবনায় নিজ প্রচেষ্টায় স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস পালনে ব্রতী হয়েছিলেন। সেই প্রয়াস ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছরই চলে আসছে। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় এবং নিজ ব্যয়ে ছোটদের অঙ্কন প্রতিযোগিতা করে থাকেন। পুরস্কারের সঙ্গে সকল কে খাতা, কলম, পেনসিল, রবার, চকলেট, বেলুন, মিষ্টি প্রভৃতি উপহার দিয়ে থাকেন।এক‌ইসঙ্গে উপস্থিত সকলের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা থাকে। পরবর্তী সময়ে তাঁর এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সহযোগী হিসেবে রোহিত কুমার সাউ, বরুণ মিশ্র প্রমুখ গুটিকয়েক তরুণ কে পেয়েছেন। এছাড়াও এলাকার কয়েকজন সুহৃদ ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অমরজিতের এই ঐকান্তিক প্রয়াসে। অমরজিৎ প্রভাত ফেরী ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় স্থানীয় হিন্দি জনতা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের সহযোগিতাও বর্তমানে পেয়ে থাকেন। প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ছাড়া নেতাজি ও গান্ধীজির ভক্ত দেশপ্রেমিক স্বদেশপ্রেমী টোটোচালক অমরজিৎ রায়ের এই অমর প্রয়াস কে কুর্নিশ জানাতেই হয় ।