০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

মুখ্যমন্ত্রীকে বিস্ফোরক চিঠি কাকলির, বিষয় ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শহীদ দিবস তৃণমূল কর্মীদের একটা আবেগ। কিন্তু সেই শহীদ দিবসের সঠিক তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসে নি। আর তাই নিয়েই কাকলি ঘোষ দস্তিদার চিঠি দিলেন শুভেন্দু আধিকারিকে। এই চিঠিতে তিনি বেশ কিছু পুরনো রাজনৈতিক ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর আমলে কংগ্রেস কর্মীদের ওপর যে ভয়াবহ গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছিল তার ফরেনসিক তদন্তের দাবি তুলেছেন এই বর্ষীয়ান সাংসদ। একই সঙ্গে ওই দিনের ঘটনার জন্য দায়ী সমস্ত পুলিশ আধিকারিক, আমলা এবং রাজনৈতিক নেতাদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জেরা করার কথাও তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও দাবি করেছেন যে ওই গুলি চালনার ঘটনার পর যে কমিশন গঠন করা হয়েছিল অবিলম্বে সেই কমিশনের রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে প্রাক্তন মুখ্যসচিব মণীশ গুপ্তের রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও তিনি এই চিঠিতে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। প্রাক্তন ওই শীর্ষ আমলাকে কীভাবে তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমে ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে রাজ্যসভার সাংসদ পদে বসানো হয়েছিল সেই বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি জবাব চেয়েছেন। সব তথ্য একসঙ্গে রেখে বহু বছর আগের একুশে জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই চিঠি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে প্রবল শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

সর্বাধিক পাঠিত

শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ছিল না বিদ্যুৎ সংযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুখ্যমন্ত্রীকে বিস্ফোরক চিঠি কাকলির, বিষয় ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই

আপডেট : ৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শহীদ দিবস তৃণমূল কর্মীদের একটা আবেগ। কিন্তু সেই শহীদ দিবসের সঠিক তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসে নি। আর তাই নিয়েই কাকলি ঘোষ দস্তিদার চিঠি দিলেন শুভেন্দু আধিকারিকে। এই চিঠিতে তিনি বেশ কিছু পুরনো রাজনৈতিক ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর আমলে কংগ্রেস কর্মীদের ওপর যে ভয়াবহ গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছিল তার ফরেনসিক তদন্তের দাবি তুলেছেন এই বর্ষীয়ান সাংসদ। একই সঙ্গে ওই দিনের ঘটনার জন্য দায়ী সমস্ত পুলিশ আধিকারিক, আমলা এবং রাজনৈতিক নেতাদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জেরা করার কথাও তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও দাবি করেছেন যে ওই গুলি চালনার ঘটনার পর যে কমিশন গঠন করা হয়েছিল অবিলম্বে সেই কমিশনের রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে প্রাক্তন মুখ্যসচিব মণীশ গুপ্তের রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও তিনি এই চিঠিতে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। প্রাক্তন ওই শীর্ষ আমলাকে কীভাবে তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমে ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে রাজ্যসভার সাংসদ পদে বসানো হয়েছিল সেই বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি জবাব চেয়েছেন। সব তথ্য একসঙ্গে রেখে বহু বছর আগের একুশে জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই চিঠি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে প্রবল শোরগোল ফেলে দিয়েছে।