নিউজ ডেস্ক: সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ! সদ্যজাত সন্তানের জন্ম দিয়ে স্যালাইন হাতে অসুস্থ অবস্থাতেই বেরিয়ে আসলেন বারান্দায় কারণ ঘরে প্রচন্ড গরম তার উপর অন্ধকার! কিছু কিছু বাচ্চাদের জন্ডিসের কারণে দেওয়া হয় ইলেকট্রিক্যাল আলোর তাপ সেই দুশ্চিন্তায় অনেকেই ছুটি নিয়ে অন্য কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, পেটে ব্যথা জ্বর এবং ডায়রিয়া হাত পা ভাঙ্গা অন্যান্য নানান বিষয়ে রোগীর ও ভয়ানক!

সকাল থেকে একভাবে পরিবারের সদস্যরা হাতপাখা দিয়ে হাওয়া করে চলেছেন. শুধু রোগীর পরিবার এমন নয় হাসপাতালে ডাক্তার থেকে নার্স সাফাই কর্মী থেকে যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্যকর্মী একদিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন অন্যদিকে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে বিড়ম্বরায় পড়ছেন তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আপ্রাণ.
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুপার কিংবা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার অথবা অন্য কেউই অভিভাবকদের কাছে সুস্পষ্টভাবে কিছু জানাননি বলেই অভিযোগ অনেকে বলছেন উপরের পরে বিকালে জানানো হচ্ছে চারটের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ চলে আসবে কিন্তু চারটের পর পাঁচটা তারপর ছটা এভাবে সাতটা পর্যন্ত সময়ে এখনো আসেনি বিদ্যুৎ কেউ জ্বালিয়েছেন মোমবাতি কেউবা ইলেকট্রিক্যাল চার্জার দিয়ে কোনমতে দিচ্ছেন ইনজেকশন নার্সের সহযোগিতা বলতে মোবাইলের আলো ধরা. শারীরিক অসুস্থতার সময় কিছুই ভালো লাগেনা আর সে সময় এইরকম ব্যবসা গরম ভয়ানক মশা এবং ঘুটঘুটে অন্ধকারে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি যেখানে সুষ্ঠু হওয়া তো দূরে থাক বরং রোগীর পরিবাররাই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এই ব্যাপারে সুপার কিংবা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার কারো সাথেই যোগাযোগ করে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি তবে তারা জানিয়েছেন আজ রবিবার দেখেই হাসপাতালে একটি নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে পি ডব্লিউ ডি ইলেকট্রিক্যাল এর পক্ষ থেকে তবে হাসপাতালের নিজস্ব জেনারেটর কেন চলছে না সে ব্যাপারেও তদারকি চলছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই সমস্যার সমাধান পরের কথা কিন্তু কি কারণ তা জানাতেও সদিচ্ছা নেই তাদের আসলে রোগীর পরিবারদের গরু ছাগল মনে করে তারা
নতুন গতি 
























