১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

রাজস্থানের দেশি ফ্রিজ মানুষকে অবাক করে দিয়েছে

আনজুম মুনির: ফ্রিজ আছে, খাবার ঠান্ডা ও টাটকা থাকে কিন্তু লাগে না বিদ্যুৎ! ফলে আসে না বিলও। শুনে অবাক লাগলেও যুগ যুগ ধরে এই দেশি ফ্রিজের ব্যবহার চলছে রাজস্থানে। ফলে বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর আদতে কী, তা জানেই না সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামের অনেকেই। দেশি ফ্রিজের প্রচলন শুরু হয়েছিল কমপক্ষে ১০০ বছর আগে। সেই সময় বিদ্যুৎ ছিল না। এদিকে রাজস্থান মানেই চড়া গরম। তাপমাত্রা পৌঁছয় ৫০ ডিগ্রিতেও। গরমেও খাবার ঠান্ডা ও টাটকা রাখতে প্রাকৃতিক উপায়ে ফ্রিজ তৈরি করে ফেলেন স্থানীয়রা। যা আধুনিক ফ্রিজের থেকে কোনও অংশে কম নয়। রুটি রাখতে তা দীর্ঘসময় থাকতে নরম। দুধ-দই থেকে সবজি, ফলমূল, কোনওকিছুই সহজে নষ্ট হয় না।

এটি দেখতে কুঁড়ে ঘরের মতো। যার উপরে ঢাকা থাকে বিশেষ ঘাষ দিয়ে। নিশ্চয়ই ভাবছেন এই ফ্রিজ তৈরিতে কী কী লাগে? উত্তর হল মাটি, ঘাস আর গোবর। যদিও সময়ের নিয়মে হারাতে বসেছিল এই দেশি ফ্রিজ। সম্প্রতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে এটি। কিন্তু কীভাবে কাজ করে এই ফ্রিজ? জানা যাচ্ছে, মাটির তৈরি ঘরের দেওয়ালে সুক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। উপরের ঘাসের ছাদ আটকে দেয় রোদ। বাষ্পীভবনের ফলে এই কুঁড়ে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেকটা কম থাকে। ফলে খরচ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ খাবার থাকে ঠান্ডা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে এর ব্যবহারে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হয় না। ফলে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে এই দেশি ফ্রিজের প্রতি তৈরি হচ্ছে আকর্ষণ।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজস্থানের দেশি ফ্রিজ মানুষকে অবাক করে দিয়েছে

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির: ফ্রিজ আছে, খাবার ঠান্ডা ও টাটকা থাকে কিন্তু লাগে না বিদ্যুৎ! ফলে আসে না বিলও। শুনে অবাক লাগলেও যুগ যুগ ধরে এই দেশি ফ্রিজের ব্যবহার চলছে রাজস্থানে। ফলে বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর আদতে কী, তা জানেই না সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামের অনেকেই। দেশি ফ্রিজের প্রচলন শুরু হয়েছিল কমপক্ষে ১০০ বছর আগে। সেই সময় বিদ্যুৎ ছিল না। এদিকে রাজস্থান মানেই চড়া গরম। তাপমাত্রা পৌঁছয় ৫০ ডিগ্রিতেও। গরমেও খাবার ঠান্ডা ও টাটকা রাখতে প্রাকৃতিক উপায়ে ফ্রিজ তৈরি করে ফেলেন স্থানীয়রা। যা আধুনিক ফ্রিজের থেকে কোনও অংশে কম নয়। রুটি রাখতে তা দীর্ঘসময় থাকতে নরম। দুধ-দই থেকে সবজি, ফলমূল, কোনওকিছুই সহজে নষ্ট হয় না।

এটি দেখতে কুঁড়ে ঘরের মতো। যার উপরে ঢাকা থাকে বিশেষ ঘাষ দিয়ে। নিশ্চয়ই ভাবছেন এই ফ্রিজ তৈরিতে কী কী লাগে? উত্তর হল মাটি, ঘাস আর গোবর। যদিও সময়ের নিয়মে হারাতে বসেছিল এই দেশি ফ্রিজ। সম্প্রতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে এটি। কিন্তু কীভাবে কাজ করে এই ফ্রিজ? জানা যাচ্ছে, মাটির তৈরি ঘরের দেওয়ালে সুক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। উপরের ঘাসের ছাদ আটকে দেয় রোদ। বাষ্পীভবনের ফলে এই কুঁড়ে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেকটা কম থাকে। ফলে খরচ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ খাবার থাকে ঠান্ডা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে এর ব্যবহারে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হয় না। ফলে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে এই দেশি ফ্রিজের প্রতি তৈরি হচ্ছে আকর্ষণ।