আনজুম মুনির, ফালাকাটা: সরকার বদল হতেই তৃণমূলের নেতা, জনপ্রতিনিধিরা বাইরের মানুষের চাপে এমনিতেই দুশ্চিন্তায়। তারমধ্যে এবার পরিবার থেকেই তৃণমূলের প্রধানের ছেলে সহ পাঁচজনের বিরুদ্বে উঠল বধূ নির্যাতনের অভিযোগ। ফালাকাটা ব্লকের ময়রাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা। ওই গৃহবধূর নাম বীনা বর্মন। তিনি রবিবার রাতে ফালাকাটা থানায় এফআইআর করেন।
বীনার অভিযোগ, আড়াই বছর আগে ময়রাডাঙ্গার প্রধান ভবানী বর্মনের ছেলে বাপী বর্মনের সঙ্গে সামাজিক মতে বিয়ে হয়। তারপর থেকেই বাপী তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন৷ প্রায় রাতেই মদ্যপান করে নির্যাতন চালান৷ বাপের বাড়ি থেকে পণ বাবদ টাকা নিয়ে আসার চাপও দেন। সেইসব অত্যাচারে প্রধান সহ বাড়ির সবার সায় ছিল। জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানের বাড়িতেই বিষয়গুলি নিয়ে সালিশি সভা হয়। সেখানেও বীনা বর্মনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বীনা জানান,তিনি ঘর থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে আসতে যান৷ তখন তার হাতে মারধর করা হয়। শাখা ভেঙে যায়৷ হাত কেটে যায়। তাই ওই রাতেই সবার বিরুদ্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
বীনার বাপের বাড়ি আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বাবুরহাটে৷ বীনা আরো জানান,এতদিন তৃণমূল ছিল শাসকদল৷ তখন পুলিশের কাছে তিনি যাওয়াএ সাহস পাননি৷ অভিযোগ করলে তখন বন্দুক দিয়ে মারারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাই সরকার বদল হতেই এবার পুলিশের দ্বারস্থ হন বীনা। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রধানের পরিবার। প্রধান ভবানী বর্মন জানান,এসব মিথ্যা অভিযোগ। যদি নির্যাতনই করা হত তাহলে এতদিন ধরে বৌমা এই বাড়িতে সংসার কীভাবে করল। প্রধানের স্বামী নিতীষ বর্মন জানান,আমার ছেলে কিছুটা নেশায় আসক্ত৷ এরজন্য কখনও ঝামেলা হতে পারে। তবে মারধর কখনও হয়নি। আর রবিবার সালিশিতেও মারধর করা হয়নি। মিথ্যা অভিযোগ। ও নিজের হাতের শাখা নিজেই ভেঙেছে। এদিকে ফালাকাটা থানার পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নতুন গতি 

























