১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

মাথায়, পিঠে ডিম খেয়ে কুনাল বললেন,”আমি কুণাল ঘোষ যেমন আছি, তেমন থাকব”

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: এবার কুনাল ঘোষের উপর ডিমের হামলা। কুনাল ঘোষ আপন মনেই হেঁটে যাচ্ছোলেন। মমতার বাড়ির কাছাকাছি যেতেই তার উপর ‘ডিম থেরাপি’ শুরু হয়। আর এই হামলার পরই ক্ষুব্ধ কুণাল বললেন, এভাবে তাঁকে থামানো যাবে না। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে বলেও সরব হন তিনি। এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময় কুণালকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। সেই ছবি ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। কুণালের মাথায় ও পিঠে ডিম লাগে। এরপরই ক্ষুব্ধ কুণাল বলেন, “আজকে যদি পাথর মারত, আমার এই চোখটা বারোটা বাজত (বাঁ চোখ দেখিয়ে)। আমি এমনিতে ডিম খেতে প্রচণ্ড ভালোবাসি। ডিমের প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। অমলেট, সেদ্ধ, আমি ডিম খাই। সেটা মেরে কেউ বীরত্ব দেখাতে গেছেন। ”

তিনি আরো বলেন,এভাবে আমাকে থামাতে পারবে না। আমাকে রাস্তায় একশো-হাজার ডিম মারবে। গায়ে হাত দিয়ে মারবে। আমি কুণাল ঘোষ যেমন আছি, তেমন থাকব।” এরপরই তিনি বলেন, “দূর থেকে ডিম ছুড়ে কোথায় গেল? তারা তো সব পালিয়ে গেল। হিন্দিতে বলছে। এদিক থেকে বলছে, এখান থেকে কুণাল ঘোষ বেরচ্ছে। কে কে আছে, ওইদিক থেকে প্রশ্ন আসে। এখান থেকে কিছু একটা জানাল, তারপর হামলা হয়েছে। আমাদের কাছে ছবি এসে গিয়েছে, কারা কারা আছে গুচ্ছ ডিম নিয়ে। আমি বললাম, আমাকেও কটা ডিম দাও না। আমাকে ওদিক থেকে মারলে আমিও কটা ডিম মারি। কিন্তু এইসব করে থামানো যাবে না।”পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে কুণাল বলেন, “এটা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ডিম হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে, কারা কারা বেরবে, আক্রমণ করবে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। আমার চোখ যেত, মাথা যেত, আমার কিছু এসে যায় না। এসব করে কুণাল ঘোষকে বা আমাদের থামিয়ে রাখা যাবে না। ডেডবডি পড়ে থাকবে কিন্তু, গলা বন্ধ করা যাবে না। হেঁটে এলাম। আমার কাছে ছবি ছিল, এরা এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। জেনে এলাম। এটা কী ধরনের বিপ্লব।”

অভিষেকের PA সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জারি হলো গ্রেফতারি প্ররোয়ানা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাথায়, পিঠে ডিম খেয়ে কুনাল বললেন,”আমি কুণাল ঘোষ যেমন আছি, তেমন থাকব”

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: এবার কুনাল ঘোষের উপর ডিমের হামলা। কুনাল ঘোষ আপন মনেই হেঁটে যাচ্ছোলেন। মমতার বাড়ির কাছাকাছি যেতেই তার উপর ‘ডিম থেরাপি’ শুরু হয়। আর এই হামলার পরই ক্ষুব্ধ কুণাল বললেন, এভাবে তাঁকে থামানো যাবে না। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে বলেও সরব হন তিনি। এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময় কুণালকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। সেই ছবি ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। কুণালের মাথায় ও পিঠে ডিম লাগে। এরপরই ক্ষুব্ধ কুণাল বলেন, “আজকে যদি পাথর মারত, আমার এই চোখটা বারোটা বাজত (বাঁ চোখ দেখিয়ে)। আমি এমনিতে ডিম খেতে প্রচণ্ড ভালোবাসি। ডিমের প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। অমলেট, সেদ্ধ, আমি ডিম খাই। সেটা মেরে কেউ বীরত্ব দেখাতে গেছেন। ”

তিনি আরো বলেন,এভাবে আমাকে থামাতে পারবে না। আমাকে রাস্তায় একশো-হাজার ডিম মারবে। গায়ে হাত দিয়ে মারবে। আমি কুণাল ঘোষ যেমন আছি, তেমন থাকব।” এরপরই তিনি বলেন, “দূর থেকে ডিম ছুড়ে কোথায় গেল? তারা তো সব পালিয়ে গেল। হিন্দিতে বলছে। এদিক থেকে বলছে, এখান থেকে কুণাল ঘোষ বেরচ্ছে। কে কে আছে, ওইদিক থেকে প্রশ্ন আসে। এখান থেকে কিছু একটা জানাল, তারপর হামলা হয়েছে। আমাদের কাছে ছবি এসে গিয়েছে, কারা কারা আছে গুচ্ছ ডিম নিয়ে। আমি বললাম, আমাকেও কটা ডিম দাও না। আমাকে ওদিক থেকে মারলে আমিও কটা ডিম মারি। কিন্তু এইসব করে থামানো যাবে না।”পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে কুণাল বলেন, “এটা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ডিম হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে, কারা কারা বেরবে, আক্রমণ করবে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। আমার চোখ যেত, মাথা যেত, আমার কিছু এসে যায় না। এসব করে কুণাল ঘোষকে বা আমাদের থামিয়ে রাখা যাবে না। ডেডবডি পড়ে থাকবে কিন্তু, গলা বন্ধ করা যাবে না। হেঁটে এলাম। আমার কাছে ছবি ছিল, এরা এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। জেনে এলাম। এটা কী ধরনের বিপ্লব।”