নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই উন্মাদনা, আবেগ আর নাটক। সোমবার রাতে সেই নাটক দেখলেন বিশ্ববাসী। জন্মদিনে দেশবাসীকে সবচেয়ে বড় উপহার দিতে পারতেন মহম্মদ সালাহ। যদি না দ্বিতীয়ার্ধে বেঞ্চ থেকে মাঠে নামা রোমেলু লুকাকুকে রুখতে গিয়ে মারাত্মক ভুলটি না করতেন হানি। এডেন হ্যাজার্ড, লুকাকুদের সৌজন্যে ২০১৮ বিশ্বকাপে লম্বা লাফ দিয়েছিল বেলজিয়াম। চলতি টুর্নামেন্টে, সেই হ্যাজার্ড দলের সহকারী কোচ এবং লুকাকুকে ছাড়াই প্রথম একাদশ সাজান কোচ। কুর্তোয়া-ডে’ব্রুইনরা আছেন এখনও। তবে ডে’ব্রুইনদের বয়স হয়েছে। আগের ধার আর নেই। নইলে এ দিন যে বলখানা পেয়েছিলেন বেলজিয়ান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, বছর কয়েক আগে হয়ে নিশ্চিত তাতে ‘গোল’ শব্দটা বসানো থাকত! শুরুতে বল পজেশনে বেলজিয়াম এগিয়ে থাকলেও সমানে টক্কর দিতে শুরু করে প্রতিপক্ষও।
ফল মেলে ২০ মিনিটে। রাইট উইং থেকে সালাহর দুরন্ত পাশ থেকে নিখুঁত গোলে মিশরকে এগিয়ে দেন আশৌর। আদ্যপান্ত ফুটবল পরিবারে জন্ম তাঁর। ছোটবেলায় মিশরের ক্লাব গজল-এল-মহল্লার বয়সে বড়দের সঙ্গে নিয়মিত ট্রেনিং করতে যেতেন। কিন্তু ক্লাব কোচরা তাঁকে ক্রমাগত উপেক্ষা করায় ইমাম ভেবেছিলেন, দরকার নেই ফুটবল খেলে! লাভ নেই কিছু। তার চেয়ে অন্য কিছু করা ভালো। এক সাক্ষাৎকারে একবার বলেওছিলেন, ‘‘আমি এল মহল্লা ক্লাবে খেলতাম, আমার দাদারা সেখানে খেলত বলে।’’ পরে সেই ইমামই মিশনের নব্য প্রতিভাদের অন্যতম হিসেবে তড়িৎগতিতে উঠে আসেন! আর আজ? সোমবার? মিশরের জার্সিতে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন ইমাম। আর সেখানেই কিনা দুর্ধর্ষ একটা গোল। খেলার পঁয়ষট্টি মিনিট নাগাদ ১-১ করল বেলজিয়াম। স্কোরশিটে মিশর ফুটবলার মহম্মদ হানির আত্মঘাতী গোল হিসেবে লেখা থাকলেও আদতে গোলটা লুকাকুর! ঘাড়ের উপর দুই মিশর ডিফেন্ডারকে নিয়ে বিশালাকায় শরীর সহ লুকাকু গোল-সীমান্তে ঢুকে না পড়লে, ১-১ হয় না।
নতুন গতি 






















