১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের ভিড়ে আলাদা মেসি

নিউজ ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপের শুরুতেই চোখে পড়ছে একটি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড—বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের পায়ে গোলাপি রঙের বুট। ম্যাচগুলোতে এই উজ্জ্বল রঙের আধিক্য স্পষ্টভাবে নজর কাড়ছে দর্শক ও বিশ্লেষকদের। নাইকি, অ্যাডিডাস, পুমা, নিউ ব্যালেন্স এবং স্কেচার্স—সব বড় স্পোর্টস ব্র্যান্ডই এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে আলাদা আলাদা গোলাপি শেডের বিশেষ কালেকশন বাজারে এনেছে।

গোলাপি রঙের ট্রেন্ডের মাঝেও ব্যতিক্রম হিসেবে সামনে এসেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক এবার বেছে নিয়েছেন অ্যাডিডাসের বিশেষ সংস্করণের ‘এল উলতিমো ট্যাঙ্গো’ বুট। এই বুটে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রতীকী সাদা ও নীল রঙের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে সূক্ষ্ম সোনালি নকশা, যা পুরো ডিজাইনকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। গোলাপি বুটের ভিড়ে মেসির এই ক্লাসিক ও পরিশীলিত ডিজাইন তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

প্রতিবেদনে ও গ্লোবো জানিয়েছে, ব্র্যান্ডগুলোর এই রঙ নির্বাচন শুধু নান্দনিকতা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত বিপণন কৌশলও। উজ্জ্বল রঙ মাঠে খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করে তোলে এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি পণ্যের আকর্ষণ বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায় বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিডব্লিউ বুটস ইউকের প্রতিষ্ঠাতা বেন ওয়ারেন জানান, ফুটবল বুটে একই ধরনের রঙের প্রবণতা নতুন নয়। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এবার এর ব্যাপকতা বেশি চোখে পড়ছে। অন্যদিকে নাইকির ফুটবল ফুটওয়্যার টিমের সদস্য ওডিঙ্গা নিমাকো বলেন, ‘উজ্জ্বল রঙ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং মাঠে দ্রুত নজরে আসতে সাহায্য করে।’

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির পূর্বাভাসও এই প্রবণতাকে প্রভাবিত করেছে। ২০২৪ সালে ডব্লিউজিএসএনের প্রতিবেদনে ‘ইলেকট্রিক ফিউশিয়া’ নামের উজ্জ্বল গোলাপি শেডকে ২০২৬ সালের অন্যতম ট্রেন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যার প্রভাব এখন বিশ্বকাপের মাঠেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের আধিক্য একদিকে যেমন ফ্যাশন ট্রেন্ডের প্রতিফলন, অন্যদিকে মেসির মতো তারকাদের ভিন্ন রুচি সেই প্রবণতার মাঝেও বৈচিত্র্য যোগ করছে।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের ভিড়ে আলাদা মেসি

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপের শুরুতেই চোখে পড়ছে একটি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড—বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের পায়ে গোলাপি রঙের বুট। ম্যাচগুলোতে এই উজ্জ্বল রঙের আধিক্য স্পষ্টভাবে নজর কাড়ছে দর্শক ও বিশ্লেষকদের। নাইকি, অ্যাডিডাস, পুমা, নিউ ব্যালেন্স এবং স্কেচার্স—সব বড় স্পোর্টস ব্র্যান্ডই এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে আলাদা আলাদা গোলাপি শেডের বিশেষ কালেকশন বাজারে এনেছে।

গোলাপি রঙের ট্রেন্ডের মাঝেও ব্যতিক্রম হিসেবে সামনে এসেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক এবার বেছে নিয়েছেন অ্যাডিডাসের বিশেষ সংস্করণের ‘এল উলতিমো ট্যাঙ্গো’ বুট। এই বুটে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রতীকী সাদা ও নীল রঙের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে সূক্ষ্ম সোনালি নকশা, যা পুরো ডিজাইনকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। গোলাপি বুটের ভিড়ে মেসির এই ক্লাসিক ও পরিশীলিত ডিজাইন তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

প্রতিবেদনে ও গ্লোবো জানিয়েছে, ব্র্যান্ডগুলোর এই রঙ নির্বাচন শুধু নান্দনিকতা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত বিপণন কৌশলও। উজ্জ্বল রঙ মাঠে খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করে তোলে এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি পণ্যের আকর্ষণ বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায় বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিডব্লিউ বুটস ইউকের প্রতিষ্ঠাতা বেন ওয়ারেন জানান, ফুটবল বুটে একই ধরনের রঙের প্রবণতা নতুন নয়। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এবার এর ব্যাপকতা বেশি চোখে পড়ছে। অন্যদিকে নাইকির ফুটবল ফুটওয়্যার টিমের সদস্য ওডিঙ্গা নিমাকো বলেন, ‘উজ্জ্বল রঙ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং মাঠে দ্রুত নজরে আসতে সাহায্য করে।’

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির পূর্বাভাসও এই প্রবণতাকে প্রভাবিত করেছে। ২০২৪ সালে ডব্লিউজিএসএনের প্রতিবেদনে ‘ইলেকট্রিক ফিউশিয়া’ নামের উজ্জ্বল গোলাপি শেডকে ২০২৬ সালের অন্যতম ট্রেন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যার প্রভাব এখন বিশ্বকাপের মাঠেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের আধিক্য একদিকে যেমন ফ্যাশন ট্রেন্ডের প্রতিফলন, অন্যদিকে মেসির মতো তারকাদের ভিন্ন রুচি সেই প্রবণতার মাঝেও বৈচিত্র্য যোগ করছে।