১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

এমবাপে ঝড়ে উড়ে গেলো সেনেগাল

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে এবারের বিশ্বকাপের ফেভারিট ফ্রান্স। নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে প্রথমার্ধে চরম চাপে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের জাত চিনিয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নেয় দিদিয়ের দেশমের দল। ম্যাচের জোড়া গোল করে ফ্রান্সের জয়ের নায়ক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য (০-০)। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ফ্রান্স আক্রমণ মুখী হয়। তরুণ উইঙ্গার দেজিরে দুয়ে এবং মাইকেল অলিসের কল্যাণে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা। অবশেষে ৬৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন এমবাপে। অলিসের একটি নিখুঁত ও ‘সার্জিক্যাল’ পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার হাফ-টার্নে মেন্ডিকে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেন এমবাপে।
৮২ মিনিটে ওসমানে দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২ মিনিটের মাথায়, নিজের প্রথম ছোঁয়াতেই দারুণ এক চিপ শটে গোল করে ফ্রান্সের জয় প্রায় নিশ্চিত করেন ব্রাডলি বারকোলা।

তবে ৯৫ মিনিটে ম্যাচের যোগ করা সময়ে পিএসজি তারকা ইব্রাহিম এমবায়ে দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে থিও হার্নান্দেজকে পরাস্ত করে সেনেগালের হয়ে ব্যবধান কমান। সেনেগাল যখন সমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই তাদের হতবাক করে দেন এমবাপে। বারকোলার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের বাইরে প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে এক অবিস্মরণীয় বুলেট গতির শটে বল জালে জড়ান তিনি। এটি গোলটি চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে এখনই গণ্য হচ্ছে।

জোড়া গোল করে এমবাপের জাতীয় দলের হয়ে মোট গোল হলো ৫৮টি, ৯৯ ম্যাচে। ফ্রান্সের ইতিহাসে এখন তিনিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। ছাড়িয়ে গেলেন প্রাক্তন স্ট্রাইকার অলিভিয়ে জিঁরুকে। জিঁরু ৫৭টি গোল করেছিলেন ১৩৭ ম্যাচে। গোলমেশিন হয়ে ওঠা এমবাপে অনেক কম ম্যাচ খেলেই সাবেক সতীর্থকে ছাড়িয়ে গেলেন।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এমবাপে ঝড়ে উড়ে গেলো সেনেগাল

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে এবারের বিশ্বকাপের ফেভারিট ফ্রান্স। নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে প্রথমার্ধে চরম চাপে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের জাত চিনিয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নেয় দিদিয়ের দেশমের দল। ম্যাচের জোড়া গোল করে ফ্রান্সের জয়ের নায়ক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য (০-০)। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ফ্রান্স আক্রমণ মুখী হয়। তরুণ উইঙ্গার দেজিরে দুয়ে এবং মাইকেল অলিসের কল্যাণে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা। অবশেষে ৬৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন এমবাপে। অলিসের একটি নিখুঁত ও ‘সার্জিক্যাল’ পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার হাফ-টার্নে মেন্ডিকে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেন এমবাপে।
৮২ মিনিটে ওসমানে দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২ মিনিটের মাথায়, নিজের প্রথম ছোঁয়াতেই দারুণ এক চিপ শটে গোল করে ফ্রান্সের জয় প্রায় নিশ্চিত করেন ব্রাডলি বারকোলা।

তবে ৯৫ মিনিটে ম্যাচের যোগ করা সময়ে পিএসজি তারকা ইব্রাহিম এমবায়ে দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে থিও হার্নান্দেজকে পরাস্ত করে সেনেগালের হয়ে ব্যবধান কমান। সেনেগাল যখন সমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই তাদের হতবাক করে দেন এমবাপে। বারকোলার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের বাইরে প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে এক অবিস্মরণীয় বুলেট গতির শটে বল জালে জড়ান তিনি। এটি গোলটি চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে এখনই গণ্য হচ্ছে।

জোড়া গোল করে এমবাপের জাতীয় দলের হয়ে মোট গোল হলো ৫৮টি, ৯৯ ম্যাচে। ফ্রান্সের ইতিহাসে এখন তিনিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। ছাড়িয়ে গেলেন প্রাক্তন স্ট্রাইকার অলিভিয়ে জিঁরুকে। জিঁরু ৫৭টি গোল করেছিলেন ১৩৭ ম্যাচে। গোলমেশিন হয়ে ওঠা এমবাপে অনেক কম ম্যাচ খেলেই সাবেক সতীর্থকে ছাড়িয়ে গেলেন।