০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বোমাবাজি, বিজেপির অন্দরেই ইন্ধনের অভিযোগ

উত্তর ২৪ পরগনা: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বোমাবাজির অভিযোগে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের পাতুলিয়া। সোমবার রাতে পাতুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ধরপাকড়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের বচসাও হয়।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, ঘটনায় তৃণমূলের লোকজন জড়িত। পাশাপাশি, বিজেপির কয়েকজনের ইন্ধনেই তৃণমূলের লোকজনকে এনে বোমাবাজি করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও বোমাবাজির ঘটনায় দলের কেউ জড়িত নয় বলে দাবি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।
ঘটনার খবর ছড়াতেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রহড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপর পুলিশ ধরপাকড় শুরু করলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসাও হয়।
বিজেপির স্থানীয় মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ মণ্ডলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিমাদ্রি শিকদারের উপর হামলা হয়। তাঁর অভিযোগ, হামলায় তৃণমূলের লোকজন জড়িত। পাশাপাশি বিজেপির কয়েকজনের ইন্ধনের অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বিজেপির স্থানীয় সংগঠন দুর্বল করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
বোমাবাজির ঘটনায় কারা জড়িত এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রাত পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বোমাবাজি, বিজেপির অন্দরেই ইন্ধনের অভিযোগ

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
উত্তর ২৪ পরগনা: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বোমাবাজির অভিযোগে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের পাতুলিয়া। সোমবার রাতে পাতুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ধরপাকড়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের বচসাও হয়।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, ঘটনায় তৃণমূলের লোকজন জড়িত। পাশাপাশি, বিজেপির কয়েকজনের ইন্ধনেই তৃণমূলের লোকজনকে এনে বোমাবাজি করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও বোমাবাজির ঘটনায় দলের কেউ জড়িত নয় বলে দাবি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।
ঘটনার খবর ছড়াতেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রহড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপর পুলিশ ধরপাকড় শুরু করলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসাও হয়।
বিজেপির স্থানীয় মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ মণ্ডলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিমাদ্রি শিকদারের উপর হামলা হয়। তাঁর অভিযোগ, হামলায় তৃণমূলের লোকজন জড়িত। পাশাপাশি বিজেপির কয়েকজনের ইন্ধনের অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বিজেপির স্থানীয় সংগঠন দুর্বল করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
বোমাবাজির ঘটনায় কারা জড়িত এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রাত পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল।