০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দুই বর্ধমানের গর্বের মানুষ প্রদীপ মজুমদার

আসমা খাতুন, বর্ধমান : পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দুই বর্ধমান তথা দক্ষিণ দামোদরের গর্ব প্রদীপ মজুমদার। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রদীপ মজুমদার। এই আসনে বিজেপি-র তরফে দাঁড়িয়েছিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) তরফে এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলেন আভাস রায়চৌধুরী।

বুধবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবেই শপথ নেনে দক্ষিণ দামোদরের তথা রায়নার 2 এর কামারহাটি গ্রামের ভূমিপুত্র প্রদীপ মজুমদার।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বরাবর তাকে প্রদীপ দা বলে ডাকতেই পছন্দ করেন। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করছেন প্রদীপ মজুমদার। মিষ্টিভাষী এই মানুষটির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব স্তরের যোগাযোগ ভাল। নবান্নের অন্দর মহলের গুঞ্জন, বিভিন্ন সময় কৃষি প্রধান এলাকায় তার ফিল্ড ভিজিট কাজে এসেছে। এমন কি, পরীক্ষামূলক ভাবে একাধিক চাষের বিষয়েও সরকারি তরফে উত্‍সাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা আছে।
২০১৬ সালে নির্বাচনে লড়াইয়ে হেরে গেলেও মাটি কামড়ে পরে থেকেছেন তিনি। ২০১৯- এর লোকসভা ভোটে পূর্ব বর্ধমানের একাধিক জায়গায় খারাপ ফল হয় তৃণমূলের। দূর্গাপুরের মতো আসনকে বারবার টার্গেট করেছে বিজেপি। যদিও শিল্পাঞ্চলের মাটিতে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে আনেন তিনি। প্রশাসনিক স্তরের সঙ্গে কৃষকদের যোগাযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন প্রদীপ মজুমদার তাই তাকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রদীপ মজুমদার মন্ত্রী সভায় আসায় খুশি দুই বর্ধমান ।

সর্বাধিক পাঠিত

আদিবাসীদের ‘ভেড়চাল’ মন্তব্যের প্রতিবাদ; বীরভূমের বিভিন্ন থানায় বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দুই বর্ধমানের গর্বের মানুষ প্রদীপ মজুমদার

আপডেট : ৩ অগাস্ট ২০২২, বুধবার

আসমা খাতুন, বর্ধমান : পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দুই বর্ধমান তথা দক্ষিণ দামোদরের গর্ব প্রদীপ মজুমদার। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রদীপ মজুমদার। এই আসনে বিজেপি-র তরফে দাঁড়িয়েছিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) তরফে এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলেন আভাস রায়চৌধুরী।

বুধবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবেই শপথ নেনে দক্ষিণ দামোদরের তথা রায়নার 2 এর কামারহাটি গ্রামের ভূমিপুত্র প্রদীপ মজুমদার।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বরাবর তাকে প্রদীপ দা বলে ডাকতেই পছন্দ করেন। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করছেন প্রদীপ মজুমদার। মিষ্টিভাষী এই মানুষটির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব স্তরের যোগাযোগ ভাল। নবান্নের অন্দর মহলের গুঞ্জন, বিভিন্ন সময় কৃষি প্রধান এলাকায় তার ফিল্ড ভিজিট কাজে এসেছে। এমন কি, পরীক্ষামূলক ভাবে একাধিক চাষের বিষয়েও সরকারি তরফে উত্‍সাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা আছে।
২০১৬ সালে নির্বাচনে লড়াইয়ে হেরে গেলেও মাটি কামড়ে পরে থেকেছেন তিনি। ২০১৯- এর লোকসভা ভোটে পূর্ব বর্ধমানের একাধিক জায়গায় খারাপ ফল হয় তৃণমূলের। দূর্গাপুরের মতো আসনকে বারবার টার্গেট করেছে বিজেপি। যদিও শিল্পাঞ্চলের মাটিতে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে আনেন তিনি। প্রশাসনিক স্তরের সঙ্গে কৃষকদের যোগাযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন প্রদীপ মজুমদার তাই তাকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রদীপ মজুমদার মন্ত্রী সভায় আসায় খুশি দুই বর্ধমান ।