০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্যালাইন শেষেও দেরি, রক্ত উঠল লাইনে! কাঠগড়ায় উত্তরপাড়া হাসপাতালের পরিষেবা

নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরপাড়া: উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্যালাইন শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা পরিবর্তনে দেরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগী বাসু অধিকারী।
বাসু অধিকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার রাতে জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হয়। পরে স্যালাইন শেষ হয়ে গেলে স্যালাইনের লাইনে রক্ত উঠে আসতে দেখেন বলে দাবি তাঁর। সেই সময় দীর্ঘক্ষণ নার্স বা অন্য কোনও হাসপাতালকর্মীর দেখা না পেয়ে তিনি নিজেই স্যালাইনের বোতল হাতে নার্সদের কাছে যান বলে জানান।
তাঁর অভিযোগ, সেখানে তাঁকে শুয়ে থাকতে বলা হয় এবং পরে কর্মী এসে ব্যবস্থা করবেন বলে জানানো হয়। এরপর আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর স্যালাইন বন্ধ করা হয়। ওই সময় হাতে ব্যথা ও অস্বস্তি হয়েছিল বলেও জানান বাসু অধিকারী।
হাসপাতালের পরিষেবা এবং রোগী ও পরিজনদের সঙ্গে কর্মীদের আচরণ নিয়েও কিছু অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সরকারি হাসপাতালে বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন, তাই পরিষেবা ও পরিকাঠামোর দিকে আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি শোনার পর পরে কথা বলবেন বলে জানান।

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্যালাইন শেষেও দেরি, রক্ত উঠল লাইনে! কাঠগড়ায় উত্তরপাড়া হাসপাতালের পরিষেবা

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরপাড়া: উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্যালাইন শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা পরিবর্তনে দেরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগী বাসু অধিকারী।
বাসু অধিকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার রাতে জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হয়। পরে স্যালাইন শেষ হয়ে গেলে স্যালাইনের লাইনে রক্ত উঠে আসতে দেখেন বলে দাবি তাঁর। সেই সময় দীর্ঘক্ষণ নার্স বা অন্য কোনও হাসপাতালকর্মীর দেখা না পেয়ে তিনি নিজেই স্যালাইনের বোতল হাতে নার্সদের কাছে যান বলে জানান।
তাঁর অভিযোগ, সেখানে তাঁকে শুয়ে থাকতে বলা হয় এবং পরে কর্মী এসে ব্যবস্থা করবেন বলে জানানো হয়। এরপর আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর স্যালাইন বন্ধ করা হয়। ওই সময় হাতে ব্যথা ও অস্বস্তি হয়েছিল বলেও জানান বাসু অধিকারী।
হাসপাতালের পরিষেবা এবং রোগী ও পরিজনদের সঙ্গে কর্মীদের আচরণ নিয়েও কিছু অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সরকারি হাসপাতালে বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন, তাই পরিষেবা ও পরিকাঠামোর দিকে আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি শোনার পর পরে কথা বলবেন বলে জানান।