০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

শিশুর হাতে খাবার, শিক্ষার স্বপ্ন—পালের চকে মানবিক উদ্যোগ

হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন-লাগোয়া প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হল কুলতলির পালের চক এলাকায়। দিল্লির একতা ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে, কুলতলির কাঁটামারি শহিদ ভগৎ সিং শিক্ষা নিকেতন তথা কাঁটামারি বালক সংঘের ব্যবস্থাপনায় এবং পালের চক জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে কয়েকশো স্কুলপড়ুয়া শিশু ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয় উন্নতমানের বিস্কুট।
সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার বহু পরিবার এখনও আর্থিকভাবে পিছিয়ে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিভাবকেরা। এই পরিস্থিতিতে শিশুদের পুষ্টির পাশাপাশি নিয়মিত স্কুলমুখী করে তুলতে এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
আয়োজকদের বক্তব্য, শুধু খাবার বিতরণ নয়, শিশুদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তৈরি করে তাদের পড়াশোনায় আগ্রহী করা এবং স্কুলছুটের প্রবণতা কমানোই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পর্যাপ্ত পুষ্টি শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মনোযোগ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিস্কুট হাতে পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে হাসি। কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ। তাঁদের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষা ও পুষ্টির সঙ্গে যুক্ত রাখার এমন উদ্যোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
বার্তা স্পষ্ট—শিশুর হাতে শুধু খাবার নয়, তুলে দিতে হবে শিক্ষার আলো ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

সিপিআইএমের শহিদ দিবস রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিশুর হাতে খাবার, শিক্ষার স্বপ্ন—পালের চকে মানবিক উদ্যোগ

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন-লাগোয়া প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হল কুলতলির পালের চক এলাকায়। দিল্লির একতা ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে, কুলতলির কাঁটামারি শহিদ ভগৎ সিং শিক্ষা নিকেতন তথা কাঁটামারি বালক সংঘের ব্যবস্থাপনায় এবং পালের চক জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে কয়েকশো স্কুলপড়ুয়া শিশু ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয় উন্নতমানের বিস্কুট।
সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার বহু পরিবার এখনও আর্থিকভাবে পিছিয়ে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিভাবকেরা। এই পরিস্থিতিতে শিশুদের পুষ্টির পাশাপাশি নিয়মিত স্কুলমুখী করে তুলতে এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
আয়োজকদের বক্তব্য, শুধু খাবার বিতরণ নয়, শিশুদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তৈরি করে তাদের পড়াশোনায় আগ্রহী করা এবং স্কুলছুটের প্রবণতা কমানোই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পর্যাপ্ত পুষ্টি শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মনোযোগ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিস্কুট হাতে পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে হাসি। কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ। তাঁদের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষা ও পুষ্টির সঙ্গে যুক্ত রাখার এমন উদ্যোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
বার্তা স্পষ্ট—শিশুর হাতে শুধু খাবার নয়, তুলে দিতে হবে শিক্ষার আলো ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন।