০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

মালদায় এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু, উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞ টিম

মালদা: মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি আগস্ট মাসে ৮৯ জন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করল রাজ্যের বিশেষজ্ঞ টিম। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান চিকিৎসক প্রলয় আচার্য জানান, এক মাসে ৮৯ জন শিশুর মৃত্যু কোনওভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চিকিৎসক প্রলয় আচার্য বলেন, শিশু মৃত্যুর নেপথ্যে একাধিক কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম অপুষ্টি। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি ও রিপোর্ট বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছে বিশেষজ্ঞ দল।
বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যানের দাবি, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু অভাব নজরে এসেছে। শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি জানান, পর্যালোচনার ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আদিবাসীদের ‘ভেড়চাল’ মন্তব্যের প্রতিবাদ; বীরভূমের বিভিন্ন থানায় বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মালদায় এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু, উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞ টিম

আপডেট : ৩১ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার
মালদা: মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি আগস্ট মাসে ৮৯ জন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করল রাজ্যের বিশেষজ্ঞ টিম। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান চিকিৎসক প্রলয় আচার্য জানান, এক মাসে ৮৯ জন শিশুর মৃত্যু কোনওভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চিকিৎসক প্রলয় আচার্য বলেন, শিশু মৃত্যুর নেপথ্যে একাধিক কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম অপুষ্টি। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি ও রিপোর্ট বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছে বিশেষজ্ঞ দল।
বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যানের দাবি, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু অভাব নজরে এসেছে। শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি জানান, পর্যালোচনার ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।