১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আহিরণ পাখিরালয়ে পরিযায়ী পাখীদের সমাগম

মোঃ ইজাজ আহামেদ, নতুন গতি, মুর্শিদাবাদ : আমরা আজকে আহিরণ পাখিরালয় ও আহিরণ বিল ভ্রমণে এসেছি। এই পাখিরালয় ও জলাশয়টি মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি ব্লকের আহিরণে অবস্থিত।অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই পাখিরালয় ও জলাশয়ের অনতিদূরে ফিডার ক্যানেলের উপর দৃষ্টিনন্দন একটি ব্রিজ অবস্থিত। আহিরণের এই বিলটি প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬৪ একর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। এই জলাশয়টির ক্ষেত্রফল ৪০০০ হেক্টর ।এই জলাশয়ে প্রত্যেক বছর শীতে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা দেখা যায়। সেই মতো এই বছর শীতের আগমনে পরিযায়ী পাখিরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উপস্থিত হয়েছে এই বিল ও পাখিরালয়ে যদিও গাড়ির কোলাহল, ধোঁয়ার কারণে পাখির সংখ্যা কমেছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এই পাখিরালয়কে এশিয়ার বৃহত্তম পাখিরালয় হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন কিন্তু তার বাস্তবায়ন এখনও হয় নি। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ, বন ও আবহাওয়া পরিবর্তন দপ্তর আহিরণের এই বিলকে জাতীয় জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আন্তর্জাতিক রামসার জলাভূমি হিসেবেও স্বীকৃতি পেতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। গাছ লাগান ,পাখিরালয়ের যথোপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি করা এবং মৎস্য চাষের ব্যবস্থাপনা করা হলে এই এলাকার অধিবাসীদের কর্মসংস্থান হবে এবং এই বিল ও পাখিরালয়টি একটি পর্যটন স্থানে পরিণত হতে পারে যা এই এলাকার অর্থনীতিকে তরান্বিত করবে বলে অনেকে মনে করেন।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আহিরণ পাখিরালয়ে পরিযায়ী পাখীদের সমাগম

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

মোঃ ইজাজ আহামেদ, নতুন গতি, মুর্শিদাবাদ : আমরা আজকে আহিরণ পাখিরালয় ও আহিরণ বিল ভ্রমণে এসেছি। এই পাখিরালয় ও জলাশয়টি মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি ব্লকের আহিরণে অবস্থিত।অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই পাখিরালয় ও জলাশয়ের অনতিদূরে ফিডার ক্যানেলের উপর দৃষ্টিনন্দন একটি ব্রিজ অবস্থিত। আহিরণের এই বিলটি প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬৪ একর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। এই জলাশয়টির ক্ষেত্রফল ৪০০০ হেক্টর ।এই জলাশয়ে প্রত্যেক বছর শীতে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা দেখা যায়। সেই মতো এই বছর শীতের আগমনে পরিযায়ী পাখিরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উপস্থিত হয়েছে এই বিল ও পাখিরালয়ে যদিও গাড়ির কোলাহল, ধোঁয়ার কারণে পাখির সংখ্যা কমেছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এই পাখিরালয়কে এশিয়ার বৃহত্তম পাখিরালয় হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন কিন্তু তার বাস্তবায়ন এখনও হয় নি। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ, বন ও আবহাওয়া পরিবর্তন দপ্তর আহিরণের এই বিলকে জাতীয় জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আন্তর্জাতিক রামসার জলাভূমি হিসেবেও স্বীকৃতি পেতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। গাছ লাগান ,পাখিরালয়ের যথোপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি করা এবং মৎস্য চাষের ব্যবস্থাপনা করা হলে এই এলাকার অধিবাসীদের কর্মসংস্থান হবে এবং এই বিল ও পাখিরালয়টি একটি পর্যটন স্থানে পরিণত হতে পারে যা এই এলাকার অর্থনীতিকে তরান্বিত করবে বলে অনেকে মনে করেন।