০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পুরুষ ‘লক্ষ্মী’র পরে এবার নদীয়ায় পুরুষ ‘অন্নপূর্ণা’

আনজুম মুনির, নদীয়া: রাজ্যের নতুন প্রকল্প অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে যখন জেলায় জেলায় উৎসাহ ও আগ্রহ তুঙ্গে। তারই মাঝে নদিয়ায় খোঁজ মিলল ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র। মহিলাদের জন্য ঘোষিত এই প্রকল্পের টাকা কীভাবে পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

নদিয়ার ভীমপুর থানার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জিত বিশ্বাস। তিনি পেশায় একজন গ্রামীণ চিকিৎসক। তিনি সরকারি বৃদ্ধ ভাতার সুবিধাও পান। নিয়ম মাফিক নিজের বৃদ্ধ ভাতার টাকা তুলতে ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যান। সেখানে টাকা তোলার সময় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে বৃদ্ধ ভাতার টাকার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনা খাতে অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা জমা হয়েছে। হতবাক হয়ে যান সঞ্জিত বাবু নিজেই। তাঁর দাবি, তিনি কখনও অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করেননি। এবং এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হওয়ারও কথা নয়। ফলে কীভাবে তাঁর অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা হল, সে বিষয়ে কোনও তথ্য নেই তাঁর কাছে।

সঞ্জিত বিশ্বাস বলেন, “আমি বৃদ্ধভাতার টাকা তুলতে গিয়েছিলাম। তখন জানতে পারি আমার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা এসেছে। আমি বুঝতে পারছি না এই টাকা কীভাবে এল। তাই ওই টাকা আমি তুলি নি। শুধু আমার প্রাপ্য বৃদ্ধভাতার টাকাই তুলেছি।” তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে অবহিত করবেন। পাশাপাশি, সরকারি নিয়ম মেনে যদি এই টাকা ভুলবশত তাঁর অ্যাকাউন্টে এসে থাকে, তবে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

২০১৯ সালে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে মুর্শিদাবাদে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ট্রেন, সেই ফাইল খুলে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুরুষ ‘লক্ষ্মী’র পরে এবার নদীয়ায় পুরুষ ‘অন্নপূর্ণা’

আপডেট : ৮ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির, নদীয়া: রাজ্যের নতুন প্রকল্প অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে যখন জেলায় জেলায় উৎসাহ ও আগ্রহ তুঙ্গে। তারই মাঝে নদিয়ায় খোঁজ মিলল ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র। মহিলাদের জন্য ঘোষিত এই প্রকল্পের টাকা কীভাবে পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

নদিয়ার ভীমপুর থানার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জিত বিশ্বাস। তিনি পেশায় একজন গ্রামীণ চিকিৎসক। তিনি সরকারি বৃদ্ধ ভাতার সুবিধাও পান। নিয়ম মাফিক নিজের বৃদ্ধ ভাতার টাকা তুলতে ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যান। সেখানে টাকা তোলার সময় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে বৃদ্ধ ভাতার টাকার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনা খাতে অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা জমা হয়েছে। হতবাক হয়ে যান সঞ্জিত বাবু নিজেই। তাঁর দাবি, তিনি কখনও অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করেননি। এবং এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হওয়ারও কথা নয়। ফলে কীভাবে তাঁর অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা হল, সে বিষয়ে কোনও তথ্য নেই তাঁর কাছে।

সঞ্জিত বিশ্বাস বলেন, “আমি বৃদ্ধভাতার টাকা তুলতে গিয়েছিলাম। তখন জানতে পারি আমার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা এসেছে। আমি বুঝতে পারছি না এই টাকা কীভাবে এল। তাই ওই টাকা আমি তুলি নি। শুধু আমার প্রাপ্য বৃদ্ধভাতার টাকাই তুলেছি।” তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে অবহিত করবেন। পাশাপাশি, সরকারি নিয়ম মেনে যদি এই টাকা ভুলবশত তাঁর অ্যাকাউন্টে এসে থাকে, তবে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।