০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নতুন করে দল সাজাতে গিয়ে মমতা অভিষেককে একটু দূরে রাখছেন কেন?

আনজুম মুনির, কলকাতা: নাগরিক মহলের অনেকেই মনে করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতে পারেন, তাই মমতা তাকে একটু দূরে রাখছেন। তৃণমূলের প্রায় সকলেই মমতাকে মেনে নিলেও অভিষেককে মানতে রাজী হচ্ছেন না, এটা অবশ্য প্রকাশ্যে কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে।

কেউ কেউ একেবারে সোজাসাপ্টা ভাষায় বলে দিচ্ছেন, ‘অভিষেকের জন্যই দলটা শেষ হয়ে গেল।’ সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দলীয় পদে রেখে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তবে ক্ষমতা রইল না আগের মতো। কেন অভিষেকের ক্ষমতা খর্ব হল? বাড়ছে জল্পনা। অভিষেককে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে দলের দুই বর্ষীয়ান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ও দোলা সেনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের ভরাডুবির দায় অভিষেকের। আরও দুজনকে দায়িত্ব দিয়ে সেটাই সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন মমতা। আবার কেউ বলছেন অন্য কোনও কারণ। হতে পারে, গ্রেফতারির আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর।

তৃণমূলের অন্দরে অন্য গুঞ্জন যেভাবে বিভিন্ন মামলায় ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে অভিষেককে, তাতে গ্রেফতারও হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পালাবদলের পর অভিষেকের বাড়ির নির্মাণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দফায় দফায় নোটিস এসেছে কলকাতা পুরনিগমের তরফে। যদিও দুটি বাড়ির একটিও অভিষেকের নামে নেই। তবে আশঙ্কা বেড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তৎপরতায়। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যায় ইডি। তারপরই আশঙ্কা বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে নাম জড়ানোয় এর আগে একাধিকবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছিল তাঁকে। গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকেই কি পার্টির তরফে ডেরেক ও দোলাকে দায়িত্ব আগে থেকেই বণ্টন করে দেওয়া হল? এমন প্রশ্ন, রাজনৈতিক মহলের।

২০১৯ সালে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে মুর্শিদাবাদে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ট্রেন, সেই ফাইল খুলে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নতুন করে দল সাজাতে গিয়ে মমতা অভিষেককে একটু দূরে রাখছেন কেন?

আপডেট : ৮ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: নাগরিক মহলের অনেকেই মনে করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতে পারেন, তাই মমতা তাকে একটু দূরে রাখছেন। তৃণমূলের প্রায় সকলেই মমতাকে মেনে নিলেও অভিষেককে মানতে রাজী হচ্ছেন না, এটা অবশ্য প্রকাশ্যে কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে।

কেউ কেউ একেবারে সোজাসাপ্টা ভাষায় বলে দিচ্ছেন, ‘অভিষেকের জন্যই দলটা শেষ হয়ে গেল।’ সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দলীয় পদে রেখে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তবে ক্ষমতা রইল না আগের মতো। কেন অভিষেকের ক্ষমতা খর্ব হল? বাড়ছে জল্পনা। অভিষেককে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে দলের দুই বর্ষীয়ান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ও দোলা সেনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের ভরাডুবির দায় অভিষেকের। আরও দুজনকে দায়িত্ব দিয়ে সেটাই সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন মমতা। আবার কেউ বলছেন অন্য কোনও কারণ। হতে পারে, গ্রেফতারির আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর।

তৃণমূলের অন্দরে অন্য গুঞ্জন যেভাবে বিভিন্ন মামলায় ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে অভিষেককে, তাতে গ্রেফতারও হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পালাবদলের পর অভিষেকের বাড়ির নির্মাণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দফায় দফায় নোটিস এসেছে কলকাতা পুরনিগমের তরফে। যদিও দুটি বাড়ির একটিও অভিষেকের নামে নেই। তবে আশঙ্কা বেড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তৎপরতায়। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যায় ইডি। তারপরই আশঙ্কা বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে নাম জড়ানোয় এর আগে একাধিকবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছিল তাঁকে। গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকেই কি পার্টির তরফে ডেরেক ও দোলাকে দায়িত্ব আগে থেকেই বণ্টন করে দেওয়া হল? এমন প্রশ্ন, রাজনৈতিক মহলের।