১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড, পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ফর্মে এগিয়ে কারা

নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই ভিন্ন ধাঁচের দল আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড। একদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে শক্ত রক্ষণ ও লড়াকু মানসিকতায় শেষ আটে ওঠা সুইজারল্যান্ড। অতীতের মুখোমুখি লড়াই এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে এগিয়ে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই।

মুখোমুখি পরিসংখ্যান:
আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন পর্যন্ত সাতবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে।

**মোট ম্যাচ: ৭টি
**আর্জেন্টিনার জয়: ৫টি।
**সুইজারল্যান্ডের
জয়: ০
**ড্র: ২টি

দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াই হয়েছিল ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে। সেবার অতিরিক্ত সময়ের ১১৮তম মিনিটে আনহেল দি মারিয়ার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা।

সাম্প্রতিক ফর্ম:
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে লিওনেল মেসির দল। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণভাগ ধারাবাহিকভাবে কার্যকর এবং এখন পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে
আলবিসেলেস্তরা।

অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ড শেষ ষোলোতে শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে গোলশূন্য ড্র করার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। সুইসদের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। আর্জেন্টিনার শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে তাদের রক্ষণই হতে পারে সবচেয়ে বড় ভরসা।

ম্যাচ শুরুর সময়সূচি:
আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচটি
১২ জুলাই ২০২৬ শুরু হবে। সময়: সকাল ৭:০০টা
ভেন্যু: অ্যারোহেড স্টেডিয়াম (ক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম), মিসৌরি, যুক্তরাষ্ট্র

কে এগিয়ে:
অতীতের রেকর্ড, বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় আর্জেন্টিনাকেই এই লড়াইয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। তবে সুইজারল্যান্ড ইতোমধ্যেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে বিদায় দিয়ে শেষ আটে উঠেছে। তাই রক্ষণভিত্তিক কৌশল এবং পাল্টা আক্রমণের ওপর ভর করে তারা আরেকটি অঘটন ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।ফুটবল প্রশিক্ষণ

ফলে এই দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হতে যাচ্ছে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড, পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ফর্মে এগিয়ে কারা

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার

নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই ভিন্ন ধাঁচের দল আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড। একদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে শক্ত রক্ষণ ও লড়াকু মানসিকতায় শেষ আটে ওঠা সুইজারল্যান্ড। অতীতের মুখোমুখি লড়াই এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে এগিয়ে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই।

মুখোমুখি পরিসংখ্যান:
আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন পর্যন্ত সাতবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে।

**মোট ম্যাচ: ৭টি
**আর্জেন্টিনার জয়: ৫টি।
**সুইজারল্যান্ডের
জয়: ০
**ড্র: ২টি

দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াই হয়েছিল ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে। সেবার অতিরিক্ত সময়ের ১১৮তম মিনিটে আনহেল দি মারিয়ার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা।

সাম্প্রতিক ফর্ম:
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে লিওনেল মেসির দল। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণভাগ ধারাবাহিকভাবে কার্যকর এবং এখন পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে
আলবিসেলেস্তরা।

অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ড শেষ ষোলোতে শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে গোলশূন্য ড্র করার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। সুইসদের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। আর্জেন্টিনার শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে তাদের রক্ষণই হতে পারে সবচেয়ে বড় ভরসা।

ম্যাচ শুরুর সময়সূচি:
আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচটি
১২ জুলাই ২০২৬ শুরু হবে। সময়: সকাল ৭:০০টা
ভেন্যু: অ্যারোহেড স্টেডিয়াম (ক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম), মিসৌরি, যুক্তরাষ্ট্র

কে এগিয়ে:
অতীতের রেকর্ড, বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় আর্জেন্টিনাকেই এই লড়াইয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। তবে সুইজারল্যান্ড ইতোমধ্যেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে বিদায় দিয়ে শেষ আটে উঠেছে। তাই রক্ষণভিত্তিক কৌশল এবং পাল্টা আক্রমণের ওপর ভর করে তারা আরেকটি অঘটন ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।ফুটবল প্রশিক্ষণ

ফলে এই দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হতে যাচ্ছে।