কলকাতা: বুধবার বিকেলের সভায় মমতা যথেষ্ট আক্রমনত্মক থাকলেও সন্ধ্যায় ফেসবুকে অনেকটা নরম সুরেই তিনি তাঁর প্রাক্তন সহকর্মীদের আবার নরম সুরে আমন্ত্রণ জানান। নাম না করে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, “অন্তত কর্মীদের কথা ভেবে ঘরে ফিরুন। দরকারে পরিবারে এসে পরিবারকে প্রশ্ন করুন। মাঝরাস্তায় থাকবেন না।” বুধবার বিকালে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে শহরে মিছিল করে তৃণমূল। সেই মিছিলে তৃণমূল কর্মীদের উপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মমতা দাবি করেন, যারা দলের সঙ্গে বেইমানি করেছেন, তাঁদের জন্যই কর্মীদের উপর অত্যাচার বাড়ছে।
মমতার কথায়, “যাঁরা বেইমান, তাঁদের জন্য অত্যাচার অনেক বেড়েছে। এই বেইমানদের ক্ষমা করবেন না। ওরা বিজেপির দোসর হয়ে গিয়েছে, বারুইপুরে গিয়ে বলছে আমাদের বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পাঠিয়েছেন।” পরক্ষণেই কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমোর বক্তব্য, “এত ছলনা কেন? যে কর্মীদের রক্ত নিয়ে আমার দেওয়া সিম্বল নিয়ে ইলেকশনে লড়েছেন, হয় তৃণমূল করুন আমাদের সঙ্গে। নাহয় সরাসরি বিজেপির কোলে গিয়ে দুলুন।”দলের বিদ্রোহী দুই শিবিরের উদ্দেশে মমতার বার্তা, “এখনও সময় আছে বিজেপির কোলে আশ্রয় না নিয়ে নিজের ঘরে ফিরে একবার নিজের পরিবরকে প্রশ্ন করুন। একবার কর্মীদের কথা ভাবুন, এই কর্মীরা আপনাদের জন্য রক্ত দিয়েছে। বেইমানদের কথায়, বেইমানি করবেন না।”
নতুন গতি 




























