০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

“প্রবল চ্যালেঞ্জর মুখে পড়েও জনসংঘের প্রতিনিধি শ্যামাপ্রসাদ কংগ্রেস বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে গেছেন” মোদী

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় এদিন সাড়ম্বরে পালিত হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন নরেন্দ্র মোদী।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে আজ তাঁকে স্মরণ করছে গোটা দেশ। দেশের চারদিকে যে বিচারধারা ছড়িয়ে পড়েছে, তার বীজকে আজ স্মরণ করছে দেশ।” নতুন সঙ্কল্পের পথে কীভাবে এগিয়ে যেতে হয়, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন যাপন কেমন ছিল, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেন মোদী।

কলকাতার অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “আজকের এই কর্মসূচি থেকে বার্তা দিচ্ছি, রাষ্ট্রবাদী সরকার হলে রাষ্ট্রনায়করা সম্মান পায়। তাদের বিচারধারা দর্শন অনুযায়ী সরকার চালিত হয়। দু’বছর ধরে দেশের সরকার এই উৎসব পালন করছে। বাংলায় বিজেপি সরকার তৈরির পর এই উৎসবের জাঁকজমক বেড়েছে।”মোদীর কথায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন একটি জন আন্দোলনের প্রেরণা যুগিয়েছে। ভারতে এক দার্শনিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। জনসঙ্ঘ যে সময় তৈরি হয়, সেই সময় চারিদিকে কংগ্রেসের জয়জয়কার জনপ্রিয়তা ছিল। ভিন্ন ভাবধারার কোনও জায়গা ছিল না। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সেই প্রতিকূলতাকে চ্যালেঞ্জ করেই সংগঠন তৈরি করেছেন বলে।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“প্রবল চ্যালেঞ্জর মুখে পড়েও জনসংঘের প্রতিনিধি শ্যামাপ্রসাদ কংগ্রেস বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে গেছেন” মোদী

আপডেট : ৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় এদিন সাড়ম্বরে পালিত হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন নরেন্দ্র মোদী।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে আজ তাঁকে স্মরণ করছে গোটা দেশ। দেশের চারদিকে যে বিচারধারা ছড়িয়ে পড়েছে, তার বীজকে আজ স্মরণ করছে দেশ।” নতুন সঙ্কল্পের পথে কীভাবে এগিয়ে যেতে হয়, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন যাপন কেমন ছিল, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেন মোদী।

কলকাতার অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “আজকের এই কর্মসূচি থেকে বার্তা দিচ্ছি, রাষ্ট্রবাদী সরকার হলে রাষ্ট্রনায়করা সম্মান পায়। তাদের বিচারধারা দর্শন অনুযায়ী সরকার চালিত হয়। দু’বছর ধরে দেশের সরকার এই উৎসব পালন করছে। বাংলায় বিজেপি সরকার তৈরির পর এই উৎসবের জাঁকজমক বেড়েছে।”মোদীর কথায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন একটি জন আন্দোলনের প্রেরণা যুগিয়েছে। ভারতে এক দার্শনিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। জনসঙ্ঘ যে সময় তৈরি হয়, সেই সময় চারিদিকে কংগ্রেসের জয়জয়কার জনপ্রিয়তা ছিল। ভিন্ন ভাবধারার কোনও জায়গা ছিল না। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সেই প্রতিকূলতাকে চ্যালেঞ্জ করেই সংগঠন তৈরি করেছেন বলে।