০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আজই কমিশনে নথি পেশ করবে দুই শিবির, তারপর?

নিউজ ডেস্ক: শেষপর্যন্ত করা স্বীকৃতি পাবে? ভবানীপুর তৃণমূল না ঋতব্রত তৃণমূল। তার সমাধান হয়তো এবার হতে চলেছে। সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে নিজেদের নথি পেশ করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূল। দলের রাশ কাদের হাতে? প্রতীক ধরে রাখতে পারবে কারা? এমনই নানা টেনশন নিয়ে নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারছে দুই শিবির। তবে বেশি চাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের হাতেই এখন তৃণমূলের ভবিষ্যৎ। ২৬এর ভোটে ভরাডুবির পর ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিষদীয় ও সংসদীয় দলে চরম ‘বিদ্রোহ’! সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২১ জন সাংসদ এনসিপিআই-তে চলে গিয়েছেন। লোকসভায় তাঁরা আলাদা আসন চান। অন্যদিকে, পরিষদীয় দলেও ভাঙন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৬৫ জন বিধায়কই আর কালীঘাটের নেতৃত্ব মেনে নেননি। তাঁরা নিজেদের মতো জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করেছেন।

দুই শিবিরই নিজেদের রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণ হাতে রাখতে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল। তার ভিত্তিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার দু’পক্ষের কাছে নিজেদের দাবির পক্ষে বিশেষত সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ চান। তৃণমূলের দুই শিবিরকে একই বয়ানে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকেলে তার জবাব দেওয়ার শেষ সময়সীমা। সূত্রের খবর, কালীঘাট শিবিরের তরফে আজই দিল্লি রওনা হয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়েন। ঋতব্রত শিবিরও নথি নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে। প্রতীক নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আর আত্মবিশ্বাসী নন। জ্ঞানেশ কুমার মমতার হাত থেকে প্রতীক কেড়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা। শনিবার ফেসবুক লাইভে সেই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ”প্রতীক কেড়ে নিয়েও কিছু করতে পারবে না। আমি যদি ঘাসফুল প্রতীক গলায় ঝুলিয়ে রাস্তায় বেরই, আটকাতে পারবে? প্রতীক সেটাই হয়, যেটা সাধারণ মানুষের মনে থেকে যায়।”

সুইজারল্যান্ডকে টপকে যে রেকর্ড এখন স্পেনের দখলে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আজই কমিশনে নথি পেশ করবে দুই শিবির, তারপর?

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার

নিউজ ডেস্ক: শেষপর্যন্ত করা স্বীকৃতি পাবে? ভবানীপুর তৃণমূল না ঋতব্রত তৃণমূল। তার সমাধান হয়তো এবার হতে চলেছে। সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে নিজেদের নথি পেশ করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূল। দলের রাশ কাদের হাতে? প্রতীক ধরে রাখতে পারবে কারা? এমনই নানা টেনশন নিয়ে নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারছে দুই শিবির। তবে বেশি চাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের হাতেই এখন তৃণমূলের ভবিষ্যৎ। ২৬এর ভোটে ভরাডুবির পর ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিষদীয় ও সংসদীয় দলে চরম ‘বিদ্রোহ’! সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২১ জন সাংসদ এনসিপিআই-তে চলে গিয়েছেন। লোকসভায় তাঁরা আলাদা আসন চান। অন্যদিকে, পরিষদীয় দলেও ভাঙন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৬৫ জন বিধায়কই আর কালীঘাটের নেতৃত্ব মেনে নেননি। তাঁরা নিজেদের মতো জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করেছেন।

দুই শিবিরই নিজেদের রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণ হাতে রাখতে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল। তার ভিত্তিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার দু’পক্ষের কাছে নিজেদের দাবির পক্ষে বিশেষত সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ চান। তৃণমূলের দুই শিবিরকে একই বয়ানে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকেলে তার জবাব দেওয়ার শেষ সময়সীমা। সূত্রের খবর, কালীঘাট শিবিরের তরফে আজই দিল্লি রওনা হয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়েন। ঋতব্রত শিবিরও নথি নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে। প্রতীক নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আর আত্মবিশ্বাসী নন। জ্ঞানেশ কুমার মমতার হাত থেকে প্রতীক কেড়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা। শনিবার ফেসবুক লাইভে সেই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ”প্রতীক কেড়ে নিয়েও কিছু করতে পারবে না। আমি যদি ঘাসফুল প্রতীক গলায় ঝুলিয়ে রাস্তায় বেরই, আটকাতে পারবে? প্রতীক সেটাই হয়, যেটা সাধারণ মানুষের মনে থেকে যায়।”