১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বীরভূমের বক্রেশ্বর ধামে নতুন রূপে সুসজ্জিত হতে চলেছে মন্দির

বীরভূম: বক্রেশ্বর ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম এবং হিন্দুদের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ। একারণে অজস্র মন্দির গড়ে উঠেছে বক্রেশ্বরে। দেবী এখানে দশভূজা রূপে পূজিতা হন। এছাড়াও প্রতিবছর শিবরাত্রি উপলক্ষে বক্রেশ্বরে বিশাল মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও হোম যজ্ঞ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই বহু প্রাচীন মন্দির ভগ্নদশায় পরিণত হতে চলেছে দিনকে দিন। বাইরে থেকে বহু ভক্তবৃন্দরা আসে এই বীরভূমের বক্রেশ্বর ধামে আর ইতি মধ্যেই বহু প্রাচীন মন্দির গুলির সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছে পুজো কমিটি কর্তৃপক্ষ। সকল পুজো সেবাইত্রা একত্রিত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করে মন্দির সংস্কারের কাজে হাত লাগিয়েছে। মন্দির কমিটির সদস্যদের মুখ থেকে শোনা গেছে সরকারের তহবিল থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো টাকা বরাদ্দ করা হয়নি, মন্দির সংস্কারের কাজে। বিজেপির জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় মুখ থেকেও মন্দির সংস্কারের কাজের কোনো টাকা ঘোষনা করা হয়নি, মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সাহায্যের আশা চেয়েছে যাতে মন্দিরটি এই ভগ্নদশা থেকে আরো নতুন রূপে সুন্দরভাবে গঠন করা যায়। ইতিমধ্যেই মন্দিরের কাজ শুরু হয়ে গেছে মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যাতে নতুন রূপে সুসজ্জিত করা যায়।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের বক্রেশ্বর ধামে নতুন রূপে সুসজ্জিত হতে চলেছে মন্দির

আপডেট : ৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার

বীরভূম: বক্রেশ্বর ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম এবং হিন্দুদের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ। একারণে অজস্র মন্দির গড়ে উঠেছে বক্রেশ্বরে। দেবী এখানে দশভূজা রূপে পূজিতা হন। এছাড়াও প্রতিবছর শিবরাত্রি উপলক্ষে বক্রেশ্বরে বিশাল মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও হোম যজ্ঞ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই বহু প্রাচীন মন্দির ভগ্নদশায় পরিণত হতে চলেছে দিনকে দিন। বাইরে থেকে বহু ভক্তবৃন্দরা আসে এই বীরভূমের বক্রেশ্বর ধামে আর ইতি মধ্যেই বহু প্রাচীন মন্দির গুলির সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছে পুজো কমিটি কর্তৃপক্ষ। সকল পুজো সেবাইত্রা একত্রিত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করে মন্দির সংস্কারের কাজে হাত লাগিয়েছে। মন্দির কমিটির সদস্যদের মুখ থেকে শোনা গেছে সরকারের তহবিল থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো টাকা বরাদ্দ করা হয়নি, মন্দির সংস্কারের কাজে। বিজেপির জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় মুখ থেকেও মন্দির সংস্কারের কাজের কোনো টাকা ঘোষনা করা হয়নি, মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সাহায্যের আশা চেয়েছে যাতে মন্দিরটি এই ভগ্নদশা থেকে আরো নতুন রূপে সুন্দরভাবে গঠন করা যায়। ইতিমধ্যেই মন্দিরের কাজ শুরু হয়ে গেছে মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যাতে নতুন রূপে সুসজ্জিত করা যায়।