০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আলীনগরে চব্বিশ প্রহর সংকীর্তন 

নিজস্ব সাংবাদাতা : আসানসোলঃ পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়া বিধানসভার আলীনগর গ্রামে  মালঞ্চ মাতার মন্দির প্রাঙ্গণে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ভক্তিমূলক পরিবেশে চব্বিশ প্রহরব্যাপী সংকীর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায়  মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং পূজা-অর্চনার মাধ্যমে সংকীর্তনের শুভ উদ্বোধন করা হয় ।  অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে দিশা, মেঘা, ঈশিতা, অদৃজা । তিথি দেবনাথ ও নূপুর ব্যানার্জির কীর্তন দল পর্যায়ক্রমে হরিনাম সংকীর্তন পরিবেশন করে। ভক্তরা ভজন, কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নিয়ে আধ্যাত্মিক আনন্দ উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষক বাবলু মণ্ডল মানবজীবনে ভক্তি, প্রেম, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নামসংকীর্তন মানুষের মনকে পবিত্র করে এবং সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি সকলকে ধর্মীয় ও মানবিক আদর্শ অনুসরণ করে সুন্দর সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
চব্বিশ প্রহরব্যাপী এই অনুষ্ঠানে কেন্দা ফাঁড়ির আই সি মদনমোহন দত্ত, পান্ডবেশ্বর থানার মেজবাবু অলকেশ ব্যানার্জি, এস আই শুভাশীষ ব্যানার্জি ও এ এস আই অলকেশ মাহান্তি উপস্থিত ছিলেন । উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ।  নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণদের অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল প্রাণবন্ত। আগত ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণেরও ব্যবস্থা করা হয়। শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য আয়োজক কমিটির সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষক বাবলু মণ্ডল সকল অতিথি, ভক্ত এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলীনগর গ্রামের মানুষ শান্তি, সম্প্রীতি ও ভক্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রত্যেক বছরই  চব্বিশ প্রহর সংকীর্তন অনুষ্ঠান করে চলেছেন।

২০১৯ সালে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে মুর্শিদাবাদে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ট্রেন, সেই ফাইল খুলে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আলীনগরে চব্বিশ প্রহর সংকীর্তন 

আপডেট : ৮ জুন ২০২৬, সোমবার
নিজস্ব সাংবাদাতা : আসানসোলঃ পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়া বিধানসভার আলীনগর গ্রামে  মালঞ্চ মাতার মন্দির প্রাঙ্গণে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ভক্তিমূলক পরিবেশে চব্বিশ প্রহরব্যাপী সংকীর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায়  মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং পূজা-অর্চনার মাধ্যমে সংকীর্তনের শুভ উদ্বোধন করা হয় ।  অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে দিশা, মেঘা, ঈশিতা, অদৃজা । তিথি দেবনাথ ও নূপুর ব্যানার্জির কীর্তন দল পর্যায়ক্রমে হরিনাম সংকীর্তন পরিবেশন করে। ভক্তরা ভজন, কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নিয়ে আধ্যাত্মিক আনন্দ উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষক বাবলু মণ্ডল মানবজীবনে ভক্তি, প্রেম, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নামসংকীর্তন মানুষের মনকে পবিত্র করে এবং সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি সকলকে ধর্মীয় ও মানবিক আদর্শ অনুসরণ করে সুন্দর সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
চব্বিশ প্রহরব্যাপী এই অনুষ্ঠানে কেন্দা ফাঁড়ির আই সি মদনমোহন দত্ত, পান্ডবেশ্বর থানার মেজবাবু অলকেশ ব্যানার্জি, এস আই শুভাশীষ ব্যানার্জি ও এ এস আই অলকেশ মাহান্তি উপস্থিত ছিলেন । উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ।  নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণদের অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল প্রাণবন্ত। আগত ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণেরও ব্যবস্থা করা হয়। শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য আয়োজক কমিটির সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষক বাবলু মণ্ডল সকল অতিথি, ভক্ত এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলীনগর গ্রামের মানুষ শান্তি, সম্প্রীতি ও ভক্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রত্যেক বছরই  চব্বিশ প্রহর সংকীর্তন অনুষ্ঠান করে চলেছেন।